

প্রথম, জিনিয়া আর নুহার গল্প!
Read all reviews on the Boitoi app
প্রথমের এক ঘেয়েমি জীবনে দমকা হাওয়ার মতো নুহার আগমন ঘটেছিল। দুজন একেবারেই বিপরীত স্বভাবের। চৌম্বকই তো লোহাকে আকৃষ্ট করে। বিপরীত স্বভাবের দুই ব্যক্তির মনের মিলন ঘটে গেলো। মনের মিলন ঘটা সহজ হলেও দুজনের এক হওয়ার পথ কি সহজ ছিল? দুজন কি এক হতে পেরেছিল? জানতে হলে গল্পটি পড়তে হবে। গল্পটা আমার মনে দাগ কেটে গিয়েছে। গল্পটা শেষ করার পরেও মনের মধ্যে কি রকম খালি খালি লাগছিল। বারবার কেবল এটাই মনে হচ্ছে অন্যরকমও তো হতে পারতো সবটা। প্রথম, নুহা আর জিনিয়ার সাথে অন্যরকম হতে পারতো সবটা। পরক্ষণেই আমার মন বলছে অন্যরকম হলে গল্পটা কি এত স্মরণীয় হতো আমার কাছে? জিনিয়াকে গল্পে কমই পাওয়া গিয়েছে। জিনিয়ার জন্য প্রথমে কষ্ট পাইনি তবে জিনিয়ার জন্য মনের মধ্যে গুমোট মেঘ জমা হয়েছিল। শেষের দিকে মনের মধ্যকার গুমোট মেঘ থেকে বৃষ্টি ঝরতে শুরু অর্থাৎ আমার চোখ থেকে টপটপ করে কিছু অশ্রু ঝরেছিল। গল্পটা হৃদয় ছুঁয়ে গেছে আসলে। গল্পটা শেষ হওয়ার পরেও যদি রেশ রয়ে যায় পাঠকের মনে তাহলে বুঝতে হবে লেখক সার্থক। লেখক পেরেছে তার লেখনী পাঠকের মনের মধ্যে গেঁথে দিতে।
আমার অনেক ভালো লেগেছে
নুহা জিনিয়াকে মেনে নিয়েছে তাই ভালো লাগছে 🥰🥰
রিভিউ বইয়ের নাম: মন সায়রের পাড়ে লেখক: ওয়াসিকা নুযহাত ফারিয়া প্রকাশ কাল: বইমেলা ২০১৯ সম্পূর্ণটা কে কবে পেয়েছে কার?এক কথায় বলতে গেলে আমার কাছে পুরো বই পড়ে এটাই মনে হয়েছে। বইয়ের এই একটি লাইনে যেন পুরো বইয়ের মর্ম সত্য আছে। আমি মূলত বইটির ই-বুক ভার্সন পড়েছি বই টই অ্যাপ থেকে। সেখানে বইটি ১১ টি অধ্যায়ে ভাগ করা ছিল। প্রথম থেকেই পড়ে খুব মজা পাচ্ছিলাম । নুহার কর্মকাণ্ড কথাবার্তা,প্রথমের রোবট রোবট আচরণ সবকিছু মিলে দারুণ উপভোগ্য ছিল। ১ম অধ্যায় থেকে ৬ষ্ঠ অধ্যায় পর্যন্ত কাহিনী একই গতিতে চলেছে কিন্তু ৭ম অধ্যায় থেকে কাহিনীর মোড় বিভিন্ন দিকে ঘুরে যেতে থাকে আর আমি তো এক পর্যায়ে চমকে উঠেছিলাম। Train to Busan নামে আমার খুব প্রিয় একটা সিনেমা আছে । আমি যখন সিনেমা টি দেখেছিলাম কাহিনীর ভেতর এমন ভাবে ঠুকে গিয়েছিলাম যে শুধু মনে হচ্ছিল," পরে কি হবে? পরে কি হবে?" মন সায়রের পাড়ে পড়ার সময় সপ্তম থেকে একাদশ অধ্যায় পর্যন্ত আমি পড়ছিলাম আর ভাবছিলাম,"পরে কি হবে? পরে কি হবে?" এক কথায় অসাধারণ ভাবে গল্পটি তুলে ধরা হয়েছে । একটি সাধারণ গল্প অসাধারণ করে তোলা হয়েছে। যারা যারা এখনো পড়েন নি পড়ে ফেলুন। আশা করি ভালো লাগবে। প্রিয় লাইন 🟧মহিলাকে দেখে মনে হচ্ছে তার ছেলে পাড়ার মাস্তানদের হাতে মারধর খেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরেছে। ( এই লাইন পড়ে আমি প্রচন্ড মজা পেয়েছি) 🟥 মানুষ মরে গেলে পচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়। ⬛ পৃথিবীতে আসলে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক গুলোর আলাদা কোন ভিত্তি নেই। সত্যিকারের সম্পর্ক শুধু মানুষের সাথে এ পৃথিবীর সম্পর্ক। জন্মের সাথে মৃত্যুর সম্পর্ক। 🟪 সম্পূর্ণটা কে কবে পেয়েছে কার?
প্রথম থেকে শেষ অব্ধি উপন্যাসটা ভীষণ সুন্দর ছিলো।চঞ্চল নুহার প্রতিটি কথা হাস্যকর আর মজাদার ছিলো। তার সাথে রোবট মানব প্রথমের ঝগড়াটা ভালোই লেগেছে।নুহা আর প্রথমের একে-অপরকে ভালবাসার উপলব্ধি সুন্দর ছিলো।কিন্তু মন সায়রের পাড়ে যে কমতি রয়েছে।জিনিয়ার চলে যাওয়া প্রথমকে এমনভাবে পরিবর্তন করেছে যে সে নুহার হয়েও নুহার না।প্রথমের মন সায়রের পাড়ে পরিবর্তন করে দিয়ে গিয়েছে জিনিয়ার দেয়া অপরাধবোধ।নুহা, প্রথমের মিল হলেও ওরা মন থেকে ভালো ছিলো না বিশেষ করে প্রথম।
Nice
অদ্ভুত এই ভালোবাসা,,, খুব সুন্দর এই উপন্যাস টা,, চঞ্চল নুহা চরিত্র টা নিজের জিবনকে নিজেই উপভোগ করতে পারে,, অন্যদিকে গম্ভীর ব্যক্তিতোপূর্ণ প্রথম এই চঞ্চল নুহাকে পেয়ে জিবন উপলব্ধি করা,,, ভালোবাসায় কত পরিবর্তন এনে দিতে পারে এই উপন্যাস না পড়লে অর্থটাই বুঝা হতো না,,অনেক অনেক সুন্দর এই উপন্যাস সুন্দর লেখিকা ওয়াসিকা আপুর লেখনী।❤️
Amazing
অসাধারণ অসাধারণ বই। উপন্যাসের শেষটা বর্ণনাতীত নিখুঁত হয়েছে মাশাআল্লাহ। ওয়াসিকা আপুর বৃষ্টিমহল সিরিজ চাই বইটই এ। প্লিজ আপু।