

১ টি উপন্যাসিকা, ২ টি বড় গল্প সহ মোট আধ ডজন গল্প নিয়ে সুলেখক নাঈম হাসানের নতুন গ্রন্থ “সাহিত্য প্রেমী পাত্রী” । ছয় ধরনের ছ’টি গল্প স্থান পেয়েছে এখানে। প্রতিটি গল্পই পাঠকের হৃদয় ছোঁয়ার মত। এছাড়াও বইয়ে দুই’টি রম্য গল্পও রয়েছে যা পাঠককে খিলখিলিয়ে হাসতে বাধ্য করবে । এখানে বড় গল্প ‘হাসি’ থেকে সামান্য অংশ তুলে দেয়া হলঃ দুপুরে দুলাভাই ঘরে এসেই জোরে হাক দিলেন , “ কী হে অভি তুমি দেখছি এখনও তৈরি হওনি । ” “তৈরি হব কেন ? যাচ্ছেন না কি কোথায় ? ” “ওমা যার বিয়ে তার খবর নাই পাড়া পরশির ঘুম নাই ! তুমি জানো না কই যাচ্ছি? ” “ নাহ । মেয়ে দেখতে ? দুলাভাই আমার লজ্জা লাগে, আপনারাই যান আমি যাব না । ” “যাব না বললেই কি হয় ? মিয়া, যেদিন তোমার আপাকে দেখতে গিয়েছিলাম সেদিন দুই ঘন্টা ধরে শুধু গোসলই করেছি । ” “আজকেও করেন যান । ” “মিয়া পরে মেয়েকে আমার ভাল লাগলে কিন্তু নিয়ে যাব । ” “হ্যাঁ নিয়ে যান যান , আপার ভয়ে মেনি বিড়াল হয়ে থাকেন আর নিয়ে যাবেন! ” হালকা খোঁচা মেরে বললাম। “তুমি একবার করেই দেখ না। আমিতো বিড়াল হই , তুমি হবে ইঁদুর । ” “হ্যাঁ আপনি বিপদে পড়েছেন , আমাকেও ফেলবেন তাইতো ? তা দুলাভাই মেয়ের ছবি আছে আপনার ফোনে? ” “ছুপা রুস্তম! খুইব তো তোমার আপারে বললা আপনারা যাকে পছন্দ করবেন তাকেই বিয়ে করব , ছবি দেখে কী হবে! এখন দেখি রঙ বদলাও । ” “না না , আসলেই দেখতে চাচ্ছিলাম না। কিন্তু বিয়ে তো আমিই করব , একটু দেখাতো যায়ই । ” “হা হা হা , একটু না পুরাই দেখ।” বলেই দুলাভাই ফোন থেকে নবনীর কয়েকটি ছবি বের করে দিলেন……। বইটির অন্যান্য গল্পগুলোও সমানভাবে পাঠককে আকৃষ্ট করবে বলে বিশ্বাস রাখি।
প্রতিটি গল্প খুব আগ্রহ নিয়েই পড়ছিলাম আর ভাবছিলাম এতো অল্প সময়ে গল্পগুলো কেন শেষ হয়ে গেল! আরেকটু দীর্ঘায়ীত কেন হলো না! মনের মধ্যে এরকম প্রশ্ন গুলো বারবার নাড়া দিচ্ছিল। তবে সুন্দর কিছু উপাখ্যান আর বেশ মজার ছিল প্রতিটি গল্পের চরিত্র। পড়ে খুব ভালো লেগেছে। লক ডাউনের এই সময়ে আপনার লেখাগুলো হাস্যরসে প্রানবন্ত করেছে। অসংখ্য ধন্যবাদ লেখক নাঈম হাসান।
Read all reviews on the Boitoi app