

গল্পে উল্লেখিত ট্যাক্সিডার্মি কোনো কল্পনা থেকে আনা হয়নি।১৭৪৮ সালে ফ্রান্সের রিয়াউমুর পাখির দেহ সংরক্ষনের মাধ্যমে প্রথম ট্যাক্সিডার্মি আবিভার্ব হয়।ট্যাক্সিডার্মির স্বর্ণযুগ বলা হয় ভিক্টোরিয়ান যুগকে।সাধারনত ট্যাক্সিডার্মি প্রক্রিয়ার চামড়া সংরক্ষনের এর চোখের জন্য চিনামাটি ব্যবহার করা হয়।যদি ও গল্পের স্বার্থে এইখানে তা বিকৃত করে মানুষের চোখ লেখা হয়েছে।তবে এই প্রক্রিয়ায় কেবল বস্তুটিকে জীবন্তের মত মনে হয় কখনো জীবন্ত হতে পারে না।আমরা মুসলিম রা বিশ্বাস করি আমাদের জীবন একটাই।মৃত্যুর পর আর কখনই ফিরে আসা সম্ভব নয়।' লা পাসকুয়ালিটা ' নামক এক ম্যানিকুইন রয়েছে যা দেখতে হুবহু একদম মানুষের মত।ইন্টারনেটে এই সম্পকে আর ও অনেক তথ্য পাওয়া যাবে।হয়ত এই গল্পে কোথাও ঠিকমত ট্যাক্সিডার্মি কে ফুটিয়ে তুলতে পারিনি।তাই আশা করবো,গল্পে বিশ্বাসী না হয় একটু রিসার্চ করে আসল ট্যাক্সিডার্মি সম্পকে জ্ঞান আহরন করবেন।