

সময়ের ফ্রেমটা ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত। স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থী হিসেবে লেখক এই সময়টা কাটিয়েছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটের স্থাপত্য বিভাগে। বুয়েটামি বইতে লেখক যেন সেই সময়কে ধরে রেখেছেন, ছবি এঁকেছেন সেই সময়ের। পড়তে পড়তে পাঠকও যেন হারিয়ে যায় সেই সময়ের বুয়েটে, পলাশীর মোড়ে, স্থাপত্য বিভাগে, সোহরাওয়ার্দী হলে। লেখার মূল কেন্দ্র বুয়েট হলেও এক অর্থে বলা যায় এটা সেই সময়ের বয়ান। তখনকার রাজনীতি, ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক, ঢাকার সংস্কৃতি ও নাগরিক দিনযাপন, সেই আমলে দলবেঁধে ভ্রমণ এসবের টুকরো টুকরো বিবরণ আছে বইয়ের এখানে সেখানে। বই পড়ার পর যদি পাঠককে কেউ জানায় এটা লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই এবং লেখক দীর্ঘকাল প্রবাস জীবন যাপন করছেন, সেক্ষেত্রে পাঠক অবাক হবেন বৈকি। দীর্ঘকাল প্রবাস যাপনের পরও এত সাবলীল আর উপভোগ্য বাংলা লেখার স্টাইল খুব সহজলভ্য নয়।
ছাত্রজীবনের চমৎকার প্রাণবন্ত বর্ননা।
Read all reviews on the Boitoi app