

এইসব দুঃখের কথা শুনলে রহিমা বেগমের মাথা বিগড়ে যায়। তিনিও তো এই সংসারের জন্য কম করেন না।করোনার জন্যই তিনি এখন কাজ করতে পারছেন না।কোনো বাসাবাড়িতেও কাজ করতে দিবে না।কতো কষ্ট করেই না আজকের এই চাল-ডাল গুলো সংগ্রহ করে এনেছেন।এই টানাপোড়েনের দিনগুলোতে তিনিও তো অনেক করছেন।একেকটা দিনের প্রত্যক্ষদর্শী। টানাপোড়েনের সংসারের দিনগুলোতে তিনি ঘড়ির কাঁটার সঙ্গে আর পাল্লা দিয়ে পেরে উঠতে পারছেন না,ঘড়ির কাঁটা ঠিক এগিয়ে যাচ্ছে,কিন্তু এগিয়ে যাচ্ছে না রহিমার টানাপোড়েনময় সংসার।রহিমা বেগমের একটি ঘন্টা বা একটা দিন কাটে একটা বছর থেকেও দীর্ঘতম হয়ে। আজও একটা কাজের আশায় বেরিয়েছিলো,কিন্তু কোথাও কাজ না পেয়ে হতাশ হয়ে ঘরে ফিরেছেন।এই সংসারের ঘানি টানতে টানতে তিনিও যে মফিজের মতো হাঁপিয়ে উঠেছেন।দিনশেষে নিজেকে বড্ড অসহায় লাগে।জীবন নামক যুদ্ধে বড্ড ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। ভীষণ ক্লান্তি লাগে!রহিমারও তো খুব বলতে ইচ্ছে তার কষ্টের দিনগুলোর কথা।রহিমা ভাবছে,মফিজের মতো করে সেও কি এই কষ্টের কথাগুলো বলতে পারবে! পরক্ষণেই বলে,আমি যে মেয়ে হয়ে জন্মেছি আমার যে শত দুঃখ,শত কষ্ট পেলেও সহ্য করতে হবে।এই বিশাল পৃথিবীটা যে অনেক কষ্টের.......
খুব সুন্দর হয়েছে
Read all reviews on the Boitoi app
ভালো