

--রাজকীয় লাল-সাদা মিশেলের ঘাগড়া, পুরো শরীর অলংকার দ্বারা সজ্জিত,লম্বা কেশরাশি উন্মুক্ত। গোলাপি বর্ণের মসৃণ ত্বক, খাঁড়া নাক, চিকন অধরযুগল। যেন জান্নাতের হুর স্বয়ং রাজপুত্রের কক্ষে ভুল করে পদার্পণ করেছে। ধীরপায়ে এগিয়ে নিজ অর্ধাঙ্গিনীর সম্মুখে দাঁড়ালো তাশিল। নিজ সম্মুখে কারো ছায়া পেয়ে মুখ উঁচিয়ে তাকালো হুমাশা। দেখল এক সুর্দশন তার দিকে দুচোখের তৃষ্ণা নিয়ে তাকিয়ে আছে। হুমাশা একপলক তাকিয়ে চোখযুগল নামিয়ে ফেলল। কারণ, স্বয়ং রাজপুত্র তাশিল জমশেদ এবং তার স্বামী দাঁড়িয়ে আছে। হুমাশার চোখ নামিয়ে ফেলার দৃশ্য দেখে তাশিলের দিলে কেমন ধরফরিয়ে উঠল। তাই হুমাশার পাশে বসে তাকে সালাম প্রদান করল। হুমাশা খানিকটা লজ্জা পাচ্ছিল। এদিকে তাশিল বেতাব হয়ে যাচ্ছে কখন একটু করে হুমাশাকে ছুঁয়ে দেবে। তাই আর সময় বিলম্ব না করে তাশিল হুমাশার শরীরের সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠ হয়ে গেল। হুমাশা রাজপুত্রকে নিজের ঘনিষ্ঠে আসতে দেখে লজ্জায় চোখ বন্ধ করে ফেলল। তাশিল যখনি হুমাশার অধরের সঙ্গে নিজ অধর দ্বারা আঁকড়ে ধরবে ঠিক সেসময় কারো আত্মচিৎকারে চোখ মেলে তাকালো হুমাশা। বিভৎস এক দৃশ্য! তারই পায়ের কাছ পরে আছে তাশিলের মস্তক বিহীন দেহ।