

সেই দুপুর গড়িয়ে এখন সন্ধ্যা, মৌন আঁধারে সারা দুনিয়া ম-ম করছে। কিন্তু শহরের সন্ধ অন্ধকারের সে তৃপ্তি কখনোই উপভোগ করতে পারে না, যদি না বিদ্যুৎ লাইনে প্রলয় ঘটে। অনন্তের দুঃখভরা অভিমানকেই জাহিদ সারাটা দিন প্রাধান্য দিয়েছে; কিন্তু এখন যে সন্ধ্যাও বিদায়ের পথে, রাতের আগমন। শত ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়াশব্দ মেলেনি। তাই স্বাভাবিক কারণেই জাহিদ আতঙ্কিত হলো এবং শেষ উপায় হলো দরজা ভাঙা। জাহিদ ভেতরে ঢুকেই যা দেখতে পেল... অনন্ত! অনন্ত! কী হয়েছে বন্ধু? কথা বলছিস না কেন? এ কি, রক্ত! অনন্ত, অনন্ত, ও মাই গড; আমি... আমি কি করব ভেবে পাচ্ছি না। আচ্ছা, কাকাকে ফোন করি। সে কী; চিঠি...!