

আজকে সোনারগাঁওয়ে ডিনার ছিল। হঠাৎ ঝড়বৃষ্টিতে রাস্তাঘাট ডুবে গেছে। দু-এক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে। সাদেক ঠিক করল, যাবে না। 'ডার্লিং, ডু ইউ লাভ মি?' 'অফকোর্স!' গালে চুমু খেতে খেতে সাদেক খান ভাবলেন, এর পরই আসল কথাটা আসবে। জোয়ানার এ গলার টোনটা তার পরিচিত। পাঁচ বছর ধরে ঘর করছেন! 'ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডে একটা নেকলেস পছন্দ করে এসেছি। একেবারে এক্সেপশনাল। তুমি বললে কিনব।' ক্রডিট কার্ডে পাঁচ লাখ পর্যন্ত লিমিট। এর মধ্যে হলে কিনে ফেলে বড় জোর একটা ফোন দিত। তার মানে আরো বেশি। 'তোমার পছন্দ হয়েছে আর আমি কিনতে মানা করব তা কি হয়, ডার্লিং!' 'বেশি দাম না, এইট লাখ সেভেন্টি থাউজ্যান্ড।' 'নো প্রবলেম, সকালে চেক নিয়ে যেও।' মিসেস সাদেক খান, সাদেক খানকে পরম ভালোবাসায় জড়িয়ে ধরলেন। সাদেক খান তখন ভাবছেন অনিতার কথা। সাউথ ইন্ডিয়ান মেয়ে। কী ফিগার! মাসখানেক আগে তার অফিসে রিক্রুট করেছেন। এর চেয়ে অনেক কম খরচে মেয়েটাকে নিয়ে থাইল্যন্ডে একটা পেজার ট্যুর দিয়ে আসতে পারতেন। ভালোবাসার সময়টা একটু সাবধানে থাকেন। জোয়ানা এই কয়েক বছরে যা ধুমসি হয়েছে, সাদেক সাহেবের আবার স্পাইনে সমস্যা! উল্টাপাল্টা লেগে গেলে দশ দিন বেড রেস্ট!