

এটি খলিল মাহ্মুদের দ্বিতীয় কবিতার বই। এর আগে প্রকাশিত হয়েছে ৪টি উপন্যাস, ১টি ছোটোগল্পের বই, ১টি কবিতার বই, যুগ্মভাবে অন্যান্য লেখকের সাথে একটি অণু-উপন্যাস। এ বইয়ের সবগুলো কবিতাই আবেগঘন প্রেমের কবিতা। সেই প্রেম কখনো রোমাঞ্চে ঠাসা, কখনো-বা অন্তরক্ষয়ী বেদনায় আপ্লুত। “তথাপি কোনো কোনোদিন অলস তন্দ্রায় ক্ষীণায়ু স্বপ্নেরা অকস্মাৎ খেলে ওঠে : চায়ের আড্ডায় মুখোমুখি, কবিতার টেবিলে তন্ময়, সন্ধ্যায় গানে গানে তোমার মুগ্ধতা, কিংবা উন্মাতাল সৈকতে তুমি-আমি পাশাপাশি হেঁটে যাই অফুরন্ত কাল ধরে, সম্পর্কের সমুদয় অনিশ্চিত্ব জয় করে।” *** “নিরালা গৃহের মাঝে আজ তুমি জীবনকে পাবে বেদনার্ত অতীতের ভুলে গিয়ে সব সারাঘর তুমি আজ সুবাস ছড়াবে। আজ তুমি কোথাও যাবে না। আজ কোনো কাজকর্ম নয় নীল-আসমানী শাড়ি পরে আজ তুমি আমার প্রতীক্ষায় সারাদিন ঘরে বসে একা একা কাটাবে সময়।” *** প্রমীলার সাথে কোনোদিন দেখা হলে, আজ কিংবা কাল এক যুগ পরে কিংবা মৃত্যুর আগের মুহূর্তে খুলে দিয়ে বুকের দুয়ার আমি তাকে দেখাবো সেখানে সমৃদ্ধ প্রেমাক্ষরে নাম লেখা কার। প্রমীলাকে দেখাবো, সমস্ত অন্তর জুড়ে শুধু অঙ্গার, তার নিষ্ঠুর প্রেমাগুনে হৃৎপিণ্ড পুড়ে ছারখার, ছারখার।”