

দিনান্তে এখন নামে না কবিতা-সন্ধ্যা আমার ভুবনে। হাসনাহেনার বনে দুজনে কাটাবো প্রহর - মেলে না মধুর অবকাশ এমন। মুক্তির নেশায় দুঃখগণ্ডির মাঝে আমি মত্ত উন্মাদনায়। তবু ব্যর্থ বার বার, তাই প্রাচীরে লিখে যাই আমার ব্যর্থতার বিরাট ইতিহাস। এখন একান্ত দুঃসময়ে আমার এক দুঃখিনীর কথা মনে পড়ে, কতকাল হয় নি খোঁজ নেয়া তার। জানি না, কত রাত সে কাটিয়েছে আমার পথে চেয়ে। তেমন সুখ কি আর পেরেছি তাকে দিতে, হায় অসহায় প্রেমিক আমি! কবিতা দিয়ে লেখালেখি শুরু হলেও খলিল মাহ্মুদের প্রথম প্রকাশিত বইগুলো ছিল ‘স্খলন’, ‘অন্তরবাসিনী’ ও ‘খ্যাতির লাগিয়া’ উপন্যাস এবং ছোটোগল্পের বই ‘সুগন্ধি রুমাল’। এর পরের বইটিই কবিতার বই, অন্বেষা। রচনাকালের ব্যাপ্তি ছাত্রজীবন (১৯৮৪) থেকে কর্মজীবনের মাঝামাঝি (২০০৪)। একটা দীর্ঘ সময় ধরে লিখিত কবিতাগুলো এ বইয়ে স্থান পেয়েছে, যার ফলে, তারুণ্যের অস্থিরতা, অনিশ্চয়তা, জীবনযুদ্ধ, প্রেম থেকে শুরু করে দেশপ্রেম, নস্টালজিয়া ও সাংসারিক খুনসুটি – এরকম বহুবিধ বিষয়ের উপর রচিত নানা ধরনের কবিতা দেখা যাবে এ বইটাতে।