

শহরে জন্ম এবং বেড়ে উঠা হলেও গ্রামের প্রতি এক অদ্ভুত টান অনুভব করে লাবণী। এই টান এতটাই গভীর মানুষ বড় হয়ে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখে কিন্তু লাবণী স্বপ্ন দেখে সে পড়াশোনা শেষ করে বিয়ে করে গ্রামে সেটেল হবে। মায়ের মুখে গ্রামের গল্প শুনে শুনে সে গ্রামের প্রেমে পড়ে। যে মায়ের মুখের গ্রামের গল্প শুনে সে গ্রামের প্রেমে পড়ে; বহুবছর ধরে তার সেই মা গ্রামে যেতে পারেন না কারণ লাবণীর বাবা গ্রাম একদম পছন্দ করেন না; এমনকি গ্রামের লোকজনও। ভালোবেসে বিয়ে করে লাবণী এবং মাহিন। মাহিনের বাবা নেই। মা বেঁচে আছেন। তারও ইচ্ছে লেখাপড়া শেষ করে গ্রামে ফিরে যাবে। মায়ের কাছে থাকবে। সেখানেই কিছু করবে। তার মা স্বামীর ভিটা ছেড়ে কখনো অন্য কোথাও যাবেন না। বিয়ের পর লাবণী এবং মাহিন গ্রামে চলে যায়। এইদিকে লাবণীর বাবা বিষয়টা একদম ভালোভাবে মেনে নিতে পারেন না। শহরে বেড়ে উঠা লাবণী পারবে গ্রামের পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে ? বিয়ের পর প্রথম পহেলা বৈশাখ। গ্রামে বৈশাখী মেলায় মেলা হয়। সার্কাস পার্টি আসে, নৌকা বাইচ হয়। লাবণী টিভিতে দেখেছে কিন্তু নিজ চোখে বাস্তবে কখনো দেখেনি। এবার কি মাহিন লাবণীকে মেলা ঘুরিয়ে দেখাবে ? সার্কাস পার্টিতে নিয়ে যাবে ? নৌকা বাইচ দেখাবে ? লাবণীর মায়ের আর গ্রাম দেখা হবে ? বাবার অহংকার ভাঙতে পারবে ? শাশুড়ির মন জয় করতে পারতে ? সকল কিছু মিলিয়ে কেমন হবে মাহিন, লাবণীর গ্রাম্য সংসার ? জানতে হলে গল্পটি পড়তে হবে। গল্প পড়ে পাঠকরা নিজেরাই বলুক কেমন হয়েছে মাহিন এবং লাবণীর গ্রাম্য সংসার।