

তুষার, প্রাপ্তি, মিতু ও মিতুর বড় ভাই নাজিম উপস্থিত হলো একটা গ্রামে। নাজিম ভাইয়ের ধারণা মিতুর উপর জ্বীন আছর করেছে। এজন্য তারা দরবেশের কাছে যাচ্ছে মিতুকে সুস্থ করার জন্য। কিন্তু দরবেশের কাছে গিয়ে তারা জানতে পারে এই জ্বীনকে মিতুর দেহ থেকে ছাড়াতে হলে একটা বিশেষ নীল পাথর আনতে হবে। কিন্তু নীল পাথর এমন একটা মন্দিরে আছে, যেখান থেকে কখনো কেউ জীবিত ফিরে আসতে পারে না। অবশেষে, তুষার পাথর আনার জন্য দায়িত্ব নেয়। পাথর আনতে পারবে কী তুষার? নাকি সেও হারিয়ে যাবে মৃত্যুর মতো চরম সত্যে? নীল পাথর না আনতে পারলে যে মিতুর মৃত্যু নিশ্চিত....
শেষে এসে রহস্যই থেকে গেলো। আরেকটু খোলাসা হলে ভালো হতো। জ্বিনদের কি আসলেই কোনো পাথর দ্বারা শেষ করা সম্ভব ? শেষে কি হয়েছিল মিতুর ?
Read all reviews on the Boitoi app
আলহামদুলিল্লাহ বইটি পড়লাম।আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। ভৌতিক আর রহস্যের আলাদা একটা মজা। কিছু কিছু লাইনে টানটান উত্তেজনা আবার কিছু কিছু লাইনে একটু ভৌতিক। আমার কাছে বেশ ভালোই লেগেছে।আপনাও চাইলে বইটি পড়ে দেখতে পারেন।যারা একটু ভৌতিক টাইপের গল্প পছন্দ করেন তাদের জন্য একটা বেস্ট বই এটি।🥰💖
বন্ধুত্ব সুন্দর। এমনই তো হওয়া চাই বন্ধুত্ব যে বন্ধুকে বাঁচাতে মৃত্যুর মতো সত্যকেও গ্রহণ করে নে হাসিমুখে। মিতু আবার হাসিখুশি বাঁচবে।কিন্তু তার একমাত্র কারণ হয়ে থাকবে তুষার।ভালোই ছিলো তিন পর্বের লেখাটি।
কেমন হুট করে এক রাশ মন খারাপ নিয়ে শেষ হয়ে গেলো। মিতু কি সুস্থ হয়েছে? শেষ পর্যন্ত কি হয়েছে? জীবনে এরকম বন্ধু সবাই পায় না,লাকী গার্ল মিতু পেয়েছে।আরো পড়তে ইচ্ছে করছে। লেখকের জন্য শুভকামনা রইলো।