

দিনে দুপুরে কিডন্যাপড হয়ে যায় অরিন। জ্ঞান ফেরার পরে সে আবিষ্কার করে অজানা এক জায়গায় বন্দী হয়ে আছে সে। আরও আবিষ্কার করে, যেখানে তাঁকে বন্দই করে রাখা আছে, সেখানে আছে কেবল সে আর আরেকজন পুরুষ। পুরুষটির সাথে পরিচিত হয়ে জানতে পারে, সে ই কিডন্যাপার। তবে কোন র্যানসমের জন্য না, আরেকজনের নির্দেশে কিডন্যাপ করেছে সে। আলাপ আরও এগিয়ে গেলে সে জানতে পারে, যার নির্দেশে তাঁকে কিডন্যাপ করা হয়েছে সে আর কেউ না, তার বাবার বন্ধুর ছেলে, যে কিছুদিন আগে তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। অরিন ছেলেটাকে বোঝায়, এভাবে কোন মেয়ের মন পাওয়া সম্ভব না। ছেলেটা জানায়, মন সে পাবে। অরিন বুঝতে পারে সাইকো টাইপ এই ছেলের সাথে কথা বলে লাভ নেই। পালাবার ফন্দি আঁটতে শুরু করে অরিন। এরপরে ঘটতে থাকে একের পর এক ঘটনা। আর ধীরে ধীরে অরিন জানতে পারে সে যা ভেবেছিল, ঘটনা তার চেয়েও ভয়ংকর। অভিনব এক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের কারণে এক জালে আঁটকে গেছে সে। অবশেষে সেই জাল থেকে মুক্তি পায় অরিন।
খুবই ইমপ্রেসিভ লেখা
Read all reviews on the Boitoi app