

প্রাক শিক্ষিত সময়কাল থেকেই বেশ কিছু সংস্কৃতি বা লোকাচার প্রচলিত হয়ে আসছে। যা বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগেও দেশ কাল সংস্কৃতি ভেদে রয়ে গেছে মানুষের মনে ও মগজে। দেহত্যাগ করা পূর্ব পুরুষদের আত্মার অস্তিত্বে বিশ্বাস ও সেই সব আত্মার পূজোর মাধ্যমে যাপিত জীবনের অশুভ অবস্থা দূর করণে ভূত পূজা, ভূত তাড়ানো সহ বিভিন্ন লোকাচার সংস্কৃতির কথা আমরা ইতিহাস থেকে জানতে পারি। কিন্তু সত্যিকারের ভূত বলতে কি আদৌ কিছু আছে ? নাকি নিছক কল্পনা নিয়ে পৃথিবীর মানুষেরা নানা সংস্কৃতি পালন করে যাচ্ছে! ভীষণ জটিল এক বিষয়। দেহ ত্যাগে মানুষের মৃত্যু হলেও জীবাত্মা অবিনশ্বর। এই অবিনশ্বর আত্মাকে ও কেউ কেউ ভূত বলে আখ্যা দেয়। কিন্তু ভূতের আভিধানিক অর্থ বা পরিচয় পাওয়া সত্যি দূরুহ ব্যাপার। এখনও রহস্যময় পৃথিবীর কোথাও কোথাও অদৃশ্য ভূতকে কেন্দ্র করেই মানুষের জীবন অতিবাহিত হয়। " জাপানি ভূতের গল্প " গল্পগ্রন্থটি জাপানের হোক্কাইডো আইল্যান্ডের পটভূমিতে লেখা বারোটি ভিন্ন ভিন্ন অনুভূতির রহস্যময় ও ভৌতিক গল্পে সমৃদ্ধ। যে গল্প গুলোতে মানুষের চিন্তা, আদর্শ, বাস্তবতা ও রহস্যময় জীবনের নানাবিধ বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। যা পাঠকমনকে আন্দোলিত করবে। রহস্যময় পৃথিবীকে নতুন করে পরিচিত করবে।
কিছু গল্প ভালো ছিল। এবং কিছু গল্প একদমই বাজে। যেমন সপ্পোরো স্টেশন নামের প্রথম গল্পটা মোটেও ভালো লাগে নি। এই ধরনের আরো কিছু গল্প আছে। যেগুলো ভালো লাগেনি।
Read all reviews on the Boitoi app