

দিনগুলি শ্রাবণের। ভরা বর্ষা। থেকে থেকে বৃষ্টি হচ্ছে—কখনও মধ্য সাগরে, কখনও অজানা এক দ্বীপে। সেই বৃষ্টিতে ভিজছে ওরা দুজন। তাদের সম্পর্কের ধরণ এমন যে স্পষ্ট কোনো নাম দেওয়া কঠিন। অনেকটা "শত্রু তুমি, বন্ধু তুমি" ধাঁচের। একজন মেনে নিতে চায়, আরেকজন নারাজ। শেষ পর্যন্ত তাদের উপলব্ধির নাম দিতে গিয়ে লেখক হিমশিম খেয়েছেন। মূলত গল্পটি শুরু হয়েছিল তিন বান্ধবীর সোনালি কৈশোরকে ঘিরে। যাদের কৈশোর আর যৌবনের মাঝের স্বচ্ছ দেয়ালটা বাস্তবতার কষাঘাতে ভেঙে গিয়েছিল। সেই কাহিনী বলতে বলতে গল্পটি ক্রমান্বয়ে ডালপালা মেলে। লতায়-পাতায় এসে যুক্ত হয় শ্রাবণীদের গল্প। যদিও শ্রাবণীরা গল্পের মূলস্রোতে নেই, তবু তারা পাঠকের মনোযোগ কাড়তে সক্ষম। এর পাশাপাশি আরেকটি দম্পতির উপাখ্যানও উঠে এসেছে। ঘটনাগুলোর ঘাত-প্রতিঘাতে গল্পটি এগিয়েছে, যেন শেষ হওয়ার নামই নেয় না। কিছু গল্প এমনই হয়—যা শেষ হয়েও শেষ হয় না। তাদের রেশ থেকে যায় পাঠকের মনে। তিনকাহন সম্ভবত এমনই একটি মোটাতাজা উপন্যাস। তিনকাহন-এর শেষ খণ্ডে লেখক প্রায় সব চরিত্রের সঙ্গেই পাঠকের একবার করে দেখা করানোর চেষ্টা করেছেন। যাদের পেছনে অনেক গল্প ছিল, আর হয়তো সামনেও অনেক গল্প থাকবে। শ্রাবণের দিনগুলি হয়তো কেবল তাদের বর্ষাযাপনের গল্প হয়েই থেকে যাবে। পাঠককূলকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে এই রোমাঞ্চকর সফরে। একদিকে তোয়া, সাবা আর সায়রার জীবনোপলব্ধি, অন্যদিকে শ্রাবণীর মনের সূক্ষ্ম টানাপোড়েন। এই নিয়েই আমাদের আজকের তিনকাহন।
"অপেক্ষায় ছিলাম শেষ খন্ডের। তোয়া,আদনান আর ছোঁয়া ও আফনানের সুন্দর একটা সমাপ্তি হয়েছে কিন্তুুু শ্রাবণীর জন্য খারাপ লাগতেছে। ইচ্ছে হচ্ছে এরপর কী হলো জানতে। আলহামদুলিল্লাহ্, সাংসারিক জীবনের দেয়া পরামর্শগুলো খুবই ভালো লেগেছে, যার কারনে কিছু পরামর্শ সবসময় অবশ্য আমি আমার ডায়রিতে নোট করে রাখার চেষ্টা করি আর বাস্তবে প্রয়োগ করার চেষ্টা করি।আমি সবসময় অন্যকে পরামর্শ দেই মোর্শেদা হোসেন রুবি লেখিকার বই পড়তে। আমার মনে হয় ওনার লেখা বইগুলো প্রত্যেকের পড়া উচিত নিজের চিন্তার উন্নয়নের জন্য। আমার দ্বীনের পথে ফেরার অনেকটা ভূমিকা রয়েছে ওনার লেখা এসব ই-বুক,হার্ড কপির,আলহামদুলিল্লাহ। আমি কতটা আগ্রহ,দরদ নিয়ে আপনার (লেখিকা) লেখাগুলো পড়ি। বলা যায় আমার প্রিয় একজন লেখিকা। *অনেক শখ/ইচ্ছা প্রিয় লেখিকার সাথে সাক্ষাৎ করার"
অপেক্ষায় ছিলাম শেষ খন্ডের। তোয়া,আদনান আর ছোঁয়া ও আফনানের সুন্দর একটা সমাপ্তি হয়েছে কিন্তুুু শ্রাবণীর জন্য খারাপ লাগতেছে। ইচ্ছে হচ্ছে এরপর কী হলো জানতে। আলহামদুলিল্লাহ্, সাংসারিক জীবনের দেয়া পরামর্শগুলো খুবই ভালো লেগেছে, যার কারনে কিছু পরামর্শ সবসময় অবশ্য আমি আমার ডায়রিতে নোট করে রাখার চেষ্টা করি আর বাস্তবে প্রয়োগ করার চেষ্টা করি।আমি সবসময় অন্যকে পরামর্শ দেই মোর্শেদা হোসেন রুবি লেখিকার বই পড়তে। আমার মনে হয় ওনার লেখা বইগুলো প্রত্যেকের পড়া উচিত নিজের চিন্তার উন্নয়নের জন্য। আমার দ্বীনের পথে ফেরার অনেকটা ভূমিকা রয়েছে ওনার লেখা এসব ই-বুক,হার্ড কপির,আলহামদুলিল্লাহ। আমি কতটা আগ্রহ,দরদ নিয়ে আপনার (লেখিকা) লেখাগুলো পড়ি। বলা যায় আমার প্রিয় একজন লেখিকা। *অনেক শখ/ইচ্ছা প্রিয় লেখিকার সাথে সাক্ষাৎ করার
Read all reviews on the Boitoi app
Oboseshe tumi pore toar kahini janlam...r ferari priya te touhid ar srabonir kahinir eti tanlen lekhok...5 ta boi na porle kahini bujhai jabe na...
খুব ভালো লেগেছে আপু আদনান তোয়ার চেয়ে তৌহিদ শ্রাবনীর ভালেবাসা মন ছুয়ে গেছে।।।খুব ভালো লেগেছে।আর তোয়ার সংসার জীবনের ঘটনায় শাশুড়ি কূটচালগুলো আসলে ভয়াবহ। আদনানের মতো স্বামী না হলে সেই মেয়েগুলোর দাম্পত্য জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিষহ।। সব মিলিয়ে ভালো লেগেছে আপু তিনকাহন পড়ে খুব ভালো লেগেছে।।
সিরিজটা দারুণ নিঃসন্দেহে। কিন্তু শেষটা তো শেষ হলো না। তৌহিদ শ্রাবণীর কাহিনিটা ঝুলে রইলো। তিনকাহনের কি তাহলে আরও পর্ব পাব??
সিরিজটা ভালো লেগেছে। তবে আরো ভালো লাগতো যদি শ্রাবণী এবং তৌহিদের শেষটা জানা যেতো। লেখিকা আপুর কাছে আরো কয়েকটা অধ্যায় বাড়ানো রইলো।
ভালো
অপেক্ষায় তোমাদের জন্য শ্রাবণী-তৌহিদ❤️❤️
খুবই ভালো লেগেছে,সাথে ৪র্থ খন্ড পড়ার তৃষ্ণা রয়ে গেলো।অপেক্ষায় রইলাম।রুবি আপুর জন্য শুভকামনা।
বেস্ট সিরিজ ছিলো। সমাপ্ত লিখাটা পড়ার পর আমি পুরোই বাকরুদ্ধ এমন জায়গায় এন্ডিং আশা করিনি তারপর ও বলবো অসাধারণ ছিলো এমন এন্ডিং টা ওদের জন্য পারফ্যাক্ট ছিলো , শেষ হইয়াও হইলো না শেষ। পড়ার তৃষ্ণা টা আরো বাড়িয়ে দিলে আপু। যদিও এটা শেষ খণ্ড তারপরে বলবো আরেকটা খণ্ড নিয়ে আসো আপু শ্রাবণী- তৌহিদ এর জন্য। ওদের শেষ টা দেখতে চাই। প্লিজ আপু প্লিইইইইইইইইজ!
উপন্যাসটা পড়ে আমি এখনো ঘোরের মধ্যে আছি! অসাধারণ একটা উপন্যাস... চতুর্থ খন্ডের অপেক্ষায় রইলাম..আশা করি শীঘ্রই পাবো.. লেখিকাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর উপন্যাস দেয়ার জন্য..