

এটা এক অভূতপূর্ব যাত্রার গল্প। বাংলাদেশের প্রান্ত হতে আল্লাহর ঘর এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজায় যাওয়া আর সমস্ত পৃথিবীর মুসলিমদের অবাক বিষ্ময়ে দেখার দিনলিপি।
"আলহামদুলিল্লাহ! হাজ্জের অনুভূতির প্রকাশ হয়েছে ব্যতিক্রমী ধারায়। সহজ শব্দে! এক নাগাড়ে পড়লাম। আল্লাহ লেখিকাকে এবং পাঠকদের মকবুল হাজ্জ দান করুন।"
আলহামদুলিল্লাহ! হাজ্জের অনুভূতির প্রকাশ হয়েছে ব্যতিক্রমী ধারায়। সহজ শব্দে! এক নাগাড়ে পড়লাম। আল্লাহ লেখিকাকে এবং পাঠকদের মকবুল হাজ্জ দান করুন।
Read all reviews on the Boitoi app
অসম্ভব সুন্দর লেখনী মাশা-আল্লাহ। পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে লেখিকা নন, আমি নিজেই হাঁটছি কাবার প্রান্তরে,মসজিদে নববীতে আমিই যেন বসে আছি... আর তিনদিন পর উমরাহ করার কথা ছিলো সৌদি সরকার হঠাৎ এই রমাদানে বাংলাদেশীদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। আশা- আশঙ্কা দোলাচলে দুলছি। এর মাঝে এই লেখাটা খুঁজে পাওয়া, পড়তে পারা রহমত লাগতেছে...
সুবহানাল্লাহিল হামদ! বেশ কয়েকদিন ধরেই হজ্ব-ওমরাহর স্পিরিচুয়ালিটি নিয়ে লেখা খুঁজছিলাম,পেয়েও গেলাম বেশ খানিকটা।কতবার চোখ ভিজে উঠেছে,মনে হচ্ছিল- এইত কাবা,আমার কাবা,আমাদের কাবা!এইত মসজিদে নববী,জান্নাতুল বাকি,তায়েফ.. আল্লাহ লেখকের হাতকে আরো মজবুত করুন,মুহসিন হিসেবে কবুল করুন।আমিন।🥀
পড়তে পড়তে অজান্তেই বারবার অশ্রু জমেছে চোখের কোনে, হৃদয়ের গহীনে হাহাকার করে উঠেছে প্রেম। ইয়া বিলাদু রাসুলিল্লাহ, কবে হবে সাক্ষাৎ?
আল্লাহ পবিত্র ঘর ও নবিজীর রওজা পাকে যাওয়ার ইচ্ছেটা আরও গভীর হয়েছে বইটি পড়ে।
অসাধারণ ♥
আপু,আপনার এই লেখার অপেক্ষা থাকে রোজ।মুসাফির বেশে কাবা মসজিদে নববী আর মানুষ ছুঁয়ে দেবার অপেক্ষা যোগ হয় রোজ সাথে জলে ভেজা চোখ....