

বইটির ১ম খন্ড "ধোঁয়াশার সূত্র" -তে জানা যায় নুসাইবা খুন হয়েছে কিংবা নুসাইবা আত্মহত্যা করেছে! কিন্তু কে এই নুসাইবা? সে কি সত্যিই খুন হয়েছে? কিন্তু কেন? নাকি অন্য কোনো ঘটনা? আচ্ছা, রাজন তো কারাবন্দী ছিলো। তার কি অবস্থা? রাহাত নামের ছেলেটা কেন তাকে বাবা বলে ডাকে? কে এই রাহাত? আর জোহা? জোহার দিনগুলো এমন অদ্ভুতভাবে কেন কাটলো? এর পেছনে কি কারণ লুকিয়ে আছে? তার পরবর্তী দিনগুলোই বা কিভাবে কাটবে? বাকিসব স্পষ্ট হয়ে ফুটবে তো? নাকি ধোঁয়াশাতেই থেকে যাবে? মাথায় যখন 'রহস্য' শব্দটা চেপে বসেছিলো, প্লটটা চট করেই কল্পজগতে গল্প সৃষ্টি করে ফেললো! হাতদুটোও প্রস্তুত হয়ে গেলো তা বর্ণে বর্ণে ফুটিয়ে তুলতে। সেই আত্ম-অনুপ্রেরণা থেকে প্রথমবারের মতো লিপিবদ্ধ করে ফেললাম রহস্যময় গল্প, "ধোঁয়াশার সূত্র" ও "ধোঁয়াশার অন্ত"।
খুব ভালো লাগলো. আপু প্রত্যেক গল্পের আলাদা আনন্দ আছে. এই গল্পে মিষ্টি প্রেম আছে. আপু গল্পে নোংরামি ছাড়া লিখে যা পড়তে সস্থি হয়. নাফিসা আপু গল্প পড়তে কখনো বোর লাগে না.
Read all reviews on the Boitoi app
প্রিয় লেখিকা, কি বলব বলুন তো? বলার মতো কিছুই নেই। আপনার লেখা বরাবরের মতো মুগ্ধ হয়ে পড়েছি। শেষে রাজনের জন্য খারাপ লাগছিল। গল্পটা সত্যি অসাধারন এবং অন্য ধারার।
অসাধারণ ছিল সবটা মিলেই। যাকে শুরুতে খারাপ ভাবতাম শেষে যে তাকে খারাপ ভাবতেই পারছিনা। একটি দুর্ঘটনা সব শেষ করে দিল। শেষে যে এমন হবে ভাবতেই পারিনি। তুমি সাধারণের মাঝে অসাধারণ আপুনি, তেমনি তোমার লেখনী। ❤️❤️❤️
নিরঅপরাধ রাজনের জন্য খারাপ লাগছে। ক্ষমা মহৎ গুন। রাজনকে ক্ষমা করে দেওয়ার মধ্য দিয়ে উদয়ের উদার মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। পুরো গল্পটা অসাধারণ ছিল। এমন সুন্দর আরো গল্প চাই।