

আমরা পুরুষ জাতিটা, সবসময় আমাদেরই ‘মা’ জাতিকে ছোট করে দেখার মানসিকতা নিয়ে বড় হই। একজন গর্ভবতী মা যদি তার দৃশ্যমান বড় পেট নিয়ে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যায় তাহলে আমরা হাসাহাসি করি, বিভিন্ন খারাপ মন্তব্য বিষাক্ত তীরের মতো তার শরীরে ও মনে ছুড়ে মেরে ক্ষত-বিক্ষত করি ‘মা’-কে। ভুলে যাই যে, আমরাও একসময় এইরকম এক মায়ের পেটে ছিলাম, সেদিনও সেই মায়ের পেট এইরকমই বড় দেখাতো। আবার যাকে এই সুন্দর পৃথিবীতে সুন্দরভাবে আনার জন্য একজন মা সবকিছু সহ্য করেও সামনে এগিয়ে চলে, সে যদি ছেলে হয়ে এই পৃথিবীতে আসে তাহলে সেও একদিন বড় হয়ে রাস্তার পাশে এসে আমাদের সাথেই যোগ দেয়। এইটা ভেবে দেখা আমাদের জন্য অনেকটা দুঃসাধ্য যে, কোনো এক নারীর পেটের ভেতরের ভ্রূণ থেকেই আজকের এই আমরা। একজন নারী ছাড়া একজন পুরুষের জন্ম সম্ভব নয়। একজন বাবা শুধু একজন বাবাই হতে পারে, কখনও মা হতে পারে না। সন্তান গর্ভে ধারণ করা তার জন্য সম্পূর্ণ অপ্রাকৃতিক এবং অসম্ভব একটা ব্যাপার। বুকের দুধ খাইয়ে সন্তানকে লালন করে বাবা কখনও মায়ের স্থান নিতে পারে না, কিন্তু একজন মা একই সাথে মা হতে পারে আবার বাবার কর্তব্য পালন করেও সন্তানকে বড় করে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে মানুষের মতো মানুষ করতে পারে। এমনই একজন মায়ের উপাখ্যান অক্ষরে অক্ষরে প্রাণ পেয়ে একটি পরিপূর্ণ শরীর ধারণ করে সবার সামনে উপস্থিতি হয়েছে ‘মধ্যরাতের সূর্য’ নামে।
অসাধারণ একটি বই!
Read all reviews on the Boitoi app