

ছোটো খালার মেয়ে হয়েছিল বিয়ের আট বছর ছয় মাস পর, বাচ্চা হওয়ার পর খালার কন্ডিশন খুবই খারাপ হয়ে যায়। টানা তিন-চার দিন হসপিটালে দৌড়াদৌড়ি করতে হয়েছে আমাকে। তখনই নেহালের সাথে পরিচয় আমার। ওর বাবার বন্ধু, খালার পাসের কেবিনেই ভর্তি ছিলেন। খালার জন্য এক ব্যাগ ও' নেগেটিভ রক্তের জোগাড় করে দিয়েছিলো নেহাল। নেহালের এই উপকারের জন্য হলেও ওকে সারা জীবন মনে থাকতো। দেখা হওয়ার পর থেকেই ফেইসবুকে আমাদের রোজ টুকটাক কথা হয়, আস্তে আস্তে শুরু হলো দেখা করা।অফিস শেষ করে এক সাথে আড্ডা দেয়া। এইসব কিছুতে যেন অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি আমরা। এবং নয় মাস পর আমাদের এই সম্পর্ক বিয়েতে গড়ালো।