

উপন্যাসটি যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশে বিপন্ন মূল্যবােধের পটভূমিতে লেখা। সদ্য স্বাধীনতালব্ধ দেশে স্বার্থান্বেষী মহলের স্বার্থপরতা, বিকলাঙ্গ মানসিকতা, নীতিহীনতা এবং যুব সম্প্রদায়ের তা থেকে প্রতিবাদের পন্থা অনুসন্ধান ও উর্বর ভবিষ্যতের আশাবাদের অপেক্ষাই অপেক্ষা উপন্যাসের কাহিনির কেন্দ্রিক প্রবাহ। আলী আকবর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে কর্মসংস্থানের সন্ধান করে। অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ছুটতে ছুটতে তাকে বড়ই ক্লান্ত হতে হয়। কামাল সাহেবের পত্রিকায় চাকরির সন্ধানসহ বিচিত্র জায়গায় তাকে চাকরির সন্ধান করতে হয়। আলী আকবর আত্ম-অস্তিত্বের ভিত পায়-ই না বরং অপর দিকে তার মা-বাবা-ভাই-বােন হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে সে প্রতিরােধ গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়। শামিম ও মুকুট রাজনৈতিক পার্টির কাজ করতে গিয়ে নির্মমভাবে নিহত হয়। এই মৃত্যু আলী আকবরকে করে বেদনাহত ও রক্তাক্ত। ওদের মতাে ভুল করে না সে। কারণ সফল প্রতিরােধের প্রস্তুতির জন্য তাকে অপেক্ষা করতে হয়।
কিন্তু এই কি জীবনের ভেতরকার রূপ? যাপন করলেই কি জীবন জীবন হয়? ভেসে রইলাম শুধু, কোথাও যুক্ত হলাম না, শিকড় ছড়ালাম না। নিজেকে আলোর দিকে বাতাসের দিকে বৃহতের দিকে নিয়ে যেতে পারলাম না-এ জীবন কি জীবন? স্কুলে পড়ার সময় ছেলেবেলায় ভাবত, বড় হই, তখন আমি দেখে নেব খুনিদের। যখন বয়স হলো, তখন ভাবত, লেখাপড়া শেষ হোক, তখন দেখব। লেখাপড়াও তো শেষ হলো, এখন চিন্তা করলে ভয়ানক ছোট মনে হয় নিজেকে। মনে হয়, যে কাজগুলো সে করছে সেগুলো তার নিজের নয়-অন্যের কাজ সে করে দিচ্ছে। তাহলে কি জীবনভরই অন্যের কাজ করে যাবে সে? রিভিউ লিখতে পারিনা। বই থেকে উপরোল্লিখিত লিখাটা কপি করি দিলাম।পড়তে ভাল ছিল
Read all reviews on the Boitoi app