

‘একটু পাশে এসে বসাে।' ‘এই যে বসলাম। ‘একটা সুখবর আছে।' ‘কীসের? প্রমােশন পেয়েছাে? ‘আরে নাহ্, তার চেয়েও বড়। ‘কী সেটা? ‘আমি প্রেগন্যান্ট। তুমি বাবা হতে চলেছাে।' ‘কী!'- বলে নিশ্চপ হয়ে গেল আরিফ। যেন আকাশ থেকে পড়লাে সে। এরচেয়ে মিথ্যে বাক্য জীবনেও শুনেনি- ভাবটা এমন। কোলের ওপর রাখা ঝুমার হাতটা এক ঝটকায় সরিয়ে নিলাে। ঝুমা বললাে- ‘কিছু বলছাে না যে!' আরিফ তখনও নিরুত্তর। ঝুমা তাকিয়ে দেখলাে আরিফের মুখটা লাল হয়ে। গেছে। রাগে না লজ্জায় বুঝা গেল না। ঝুমার ধারণা ছিল খবরটা শুনে আনন্দে লাফিয়ে উঠবে আরিফ। না, আগের চেয়ে আরও খানিকটা শক্ত হয়ে গেলাে সে। কঠিন গলায় বললাে- “তুমি কি আমাকে অবিশ্বাস করাে? ‘তা করবাে কেন? বিশ্বাস করি বলেই তাে দেহ-মন দিয়েছি।' ‘সত্যি বিশ্বাস করাে? ‘হুম। ‘তাহলে অ্যাবরশন করে ফেলাে। ওটা বিয়ের পরেও নেওয়া যাবে।'