

শমশের আলী হেলাল। ঢাকার আজিমপুর কলোনিতে জন্ম ও বেড়ে ওঠা। পৈত্রিক বাড়ী পাবনা জেলার সদর থানার কুলদী গ্রামে। বত্রিশ বছর যাবত কানাডায় থাকেন। সাতত্রিশ বছরের প্রবাস জীবনে ইউরোপের সুইজারল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, রাশিয়া, ইটালি, জার্মানি, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, যুগোস্লাভিয়া, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, এশিয়ার সিংগাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং আমেরিকার নানা শহরে ঘুরেছেন। দেশ-দেশান্তরে নানা জাতি ও ধর্মের মানুষের সাথে মেশার সুযোগ পেয়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন। দেশে-দেশে সভ্যতা ও সংস্কৃতির ভিন্নতা, তার চিন্তা চেতনায় মানুষ মানবতার জন্য কাজ কারার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। এদেশের রাজনীতির প্রাণপুরুষ মাওলানা আব্দুল হামীদ খান ভাষানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে যেমন কাছ থেকে দেখেছেন তেমনি ড. জাকির নায়েক, ড. মরিস বুকাইলি, ড. কিথ এল মূর, আহমেদ দিদাত, গ্যারি মিলার, ব্রাদার আব্দুল হাকিম সহ ইসলামের জন্য নিবেদিত অনেক দায়ীদের সাথে একত্রে দাওয়াতি কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। ইসলামের সুমহান বাণী জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য দেশ-দেশান্তরে যেমন ভ্রমন করে চলছেন, তেমনি বিগত ২৫ বছর যাবৎ এ দেশের তরুণ সমাজের সাথে ভাই ও বন্ধুর মত মিশে ব্যক্তি জীবনে ইসলামের প্রতিফলন করার জন্য অনুপ্রাণিত করছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে মা দিবস, বাবা দিবস, ভালবাসা দিবসসহ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের আয়োজিত নানা অনুষ্ঠানে সবার সাথে নিজের চিন্তা চেতনা বিনিময় করেছেন। এছাড়া ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবর থেকে “গানে গানে প্রাণের কথা” নামক একটি ব্যাতিক্রমধর্মী জীবন ঘনিষ্ঠ গানের অনুষ্ঠান প্রচলনের মাধ্যমে মানুষের চিন্তার খোরাক জুগিয়েছেন। এসব অনুষ্ঠান এটিএন বাংলা চ্যানেলের মাধ্যমে সাধারন মানুষের কাছে পৌঁছেছে। ২০০১ সাল থেকে এটিএন বাংলায় বিভিন্ন বিশেষ দিবস এবং রমজান মানে সেহরী ও ইফতারের অনুষ্ঠানে নিয়মিত কথা বলার মাধ্যমে ইসলামের সুমহান বাণী প্রচারে কাজ করে যাচ্ছেন। কানাডার টরেন্টো সিটি গভর্মেন্টের কাছ থেকে বিগত পঁচিশ বছর যাবত লাশ ধোয়ানোর কাজে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে অংশগ্রহণের স্বীকৃতি স্বরূপ সমাজ সেবায় বিশেষ পদক প্রাপ্ত শমশের আলী হেলাল বর্তমানে তরুণদের মানবতার সেবায় আত্মনিয়োগে অনুপ্রাণিত করতে “এইদেশ” নামক একটি সংগঠনের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তাঁর এসব কার্যক্রম পথ হারানো যুব সমাজ এবং অবহেলিত মানুষের আশার বাতিঘর হিসেবে অনুপ্রেরণা যোগায়। - সম্পাদক