

গোবেচারা গওসোল। খর্বাকৃতির পাতলা ছিপছিপে দেহের গড়ন তবে মমতামাখা মুখ। গুণ বলত্তেযৌবনের গণ্ডিতে শক্তিমত্ত পৌরুষ, সে সাথে পরিপক্ক বংশীধর। চমৎকার সুর তোলে। গাঁয়ের হাটে বিভিন্ন স্টলের ক্যাসেট প্লেয়ার কিংবা টিভি অনুষ্ঠানাদি শুনতে পেলে সেখানে নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে ব্রেনে টুকে রাখে। রাতে সেই সুর ধরে বাঁশি চর্চা করে। চর্চা বলতে কী, নিখুঁতভাবে তুলে ফেলে। এ তো অন্তরে বংশীবয়ানের কৃষ্টি। যে কৃষ্টি দাসের অনুরূপ দাস হয়ে উঠতে চেয়েছিল অন্তর কিংবা বাইরে। অথচ সেই সাধন পর্যায়ে মায়াজালের আলোকচ্ছটা। স্নায়বিক কারণে সে আলোকচ্ছটায় পতঙ্গ হয়ে ঝাঁপ দেয়া, সেখানেও আরেক সাধনা। একটা শ্রদ্ধার আন্তরিকতায় দীক্ষিত হওয়া। গওসোলের বাঁশির সুরে পরিবর্তন আস্তে'বন্দে মায়া লাগাইছে, পিরিতি শিখাইছে। দেওয়ানা বানাইছে...কি যাদু করিয়া আমায় মায়া লাগাইছে...ভাবি নিরালায়, আগে তো জানি না বন্দে পিরিতের জ্বালা...।' এ যে অন্বেষণ, না কি নিবেদন! নিতম্বিনীর আঁটসাট সিঞ্চিতা দেহে মদালস কামান্ধতা? তাই কী কলেমা-কাবিন করা বউয়ের গতর স্পর্শেও অনিহা?