

মেয়েদের প্রতি সারা পৃথিবীতে মতামত, নানান পরিসরে নানান রকম। এর চিত্র সারাংশেও উত্তেজনার কমতি নেই! এখনো সরাসরি বা ইংগিতে তার প্রতি কৃত অন্যায়ের অপরাধীও তাকেই করা হয়। মেয়েদের এটা করতে নেই, ওটা করতে নেই এভাবে বসলে দোষ, এটা না করলে দোষ, এমন হাজার নিয়মের বেড়াজালে বেঁধে ফেলে ক্রমাগতই তাকে সমাজের চোখে আঙুল দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়ঃ তুমি মেয়ে নিজের জন্য নয়, সবার জন্য বাঁচো ! কিন্তু সত্যিই কি নিজের বলে কিছুই হয় না? মেয়েরা যে নিজেদের বাস্তবতায় এবং মতপ্রকাশে স্বাধীন, আনন্দ এবং সম্ভাবনার বিষয়ে তাদের যে নিজস্ব দক্ষতা রয়েছে, বৈচিত্র্যময় পথের নানানরকম ঝুঁকির মধ্যেই তারা যে এগিয়ে যেতে সক্ষম; জাতি, লিঙ্গ, ভাষা, অর্থ, ক্ষমতা, ভৌগলিক উৎপত্তি সবকিছুর সঙ্গেই যে তাদের বেঁচে থাকার ক্ষমতা অসীম, বন্ধুর পথে তেমন প্রমাণ করে দেখিয়েছেন, এমন কিছু সাহসী নারীর দুই কুড়ি গল্প নিয়েইঃ দর্শী। মানুষ নির্বিশেষে নিজের মতো বাঁচতে চায়, এই অধিকার ক্ষূণ্ণ করা -জোরপূর্বক তাকে অপব্যবহার করারই নামান্তর। দর্শীর চরিত্রেরা ~দর্শক~ ? না। এরা প্রেম আর অবিচারের বেড়াজালে মোড়ানো দূরদর্শী এবং গতিময় জীবনের বাহক। আবেগের শক্তিকে যারা দুঃখ বিলাসিতায় নয়; বরং, ভয়ের উল্টো পিঠে যেতে যা করা প্রয়োজন তাই করে আলো হয়ে বেচেঁ থাকে, বাচিঁয়ে রাখে.... দর্শকদের সামনে।
অসাধারণ!
Read all reviews on the Boitoi app
Excellent writing. Keep it up.