

রুশীকে চুপ থাকতে দেখে অয়ন বলল, “আমাকে ভালোবাসবি, রুশী?” রুশী গম্ভীর, থমথমে গলায় খানিকটা জোর খাটিয়ে উত্তর দিল, “না।” অয়নের মুখটা কালো হয়ে গেল। সামান্য হাসার চেষ্টা করে বলল, “সময় নে-না! একটু ভাব। এতদিন তো আমাকে দেখলি। আমাকে চিনিস তো! ভেবে উত্তর দে।” “ভাবা-ভাবির সময় কিংবা ইচ্ছে, কোনোটাই নেই।” “কেন? আমি কি খারাপ? নাকি তোর দায়িত্ব নিতে পারব না?” রুশী এতে নিরুত্তর রইল। কথা খুঁজে পেল না। অয়ন হতাশ নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “আমাকে ভালোবাসলে কি ক্ষতি হবে তোর?” রুশীকে এবারও চুপ থাকতে দেখে অয়ন আবারও বলল, “কি? ক্ষতি হবে?” রাগে রুশীর সমগ্র মুখশ্রী রক্তিম বর্ন ধারণ করেছে। দাঁতে দাঁত চেপে বলল, “হ্যাঁ। ক্ষতি হবে। অনেক বড়ো ক্ষতি হয়ে যাবে।” “কী ক্ষতি হবে তোর? আমি সব ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি। শুধু তোকে লাগবে আমার।” রুশী ক্ষোভ মিশ্রিত কিছু বাক্য ছুঁড়ে দিল অয়নের দিকে, “কেন? দুনিয়াতে কি মেয়ে মানুষের অভাব পড়ে গেছে? নাকি আমার মতো ‘ইজি টু গেট’ কাউকে পাসনি বলে? হ্যাঁ? তবে বলে দিচ্ছি, আমি এতটাও সহজলভ্য নই।” অয়ন ধমকে থামিয়ে দিল, “চুপ! কী সব আজে-বাজে কথা বলছিস? তুই আমার কাছে মোটেও সহজলভ্য নোস। অনেক সাধনার প্রিয় নারী আমার; যাকে পাবার সাধনা আমি এখনও করে যাচ্ছি।”
ভালো ছিল
Read all reviews on the Boitoi app