

সেঁজুতি সজলের সাথে পরিচয় হয় দূরসম্পর্ক এক চাচীর মাধ্যমে। যখন পরিচিত হয় সজল তাকে খুব খেয়াল রাখে। প্রতিনিয়ত ফেসবুকে ম্যাসেজ দিতে থাকে। সেঁজুতি কখন কী করছে জানার চেষ্টা করে। আর সজল নিজে কখন কী করছে তার সকল কিছুর আপডেট জানায়। অনেক রিকুয়েষ্ট’র পর সেঁজুতির নাম্বার পায় সজল। তারপর চ্যাটিং ও ফোনে কথা বলতে বলতে তাদের মাঝে বন্ধুত্ব গভীর হতে থাকে। তবে সজল দেখতে তেমন স্মার্ট নয়, তাই সেঁজুতি তাকে মন থেকে সেভাবে পছন্দ করতে পারে নি। হঠাৎ একদিন সেঁজুতি খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে। সজল জানতে পেরে সেঁজুতির বাসায় আসতে চায়, সেঁজুতি অনুমতি না দেয়ার পরও সজল আসে, আর বলে তুমি যদি ছাদে না আসাে, তাহলে আমি সারারাত এখানেই কাটিয়ে দিবাে। আর হা আসার সময় এক বােতল পানি নিয়ে আসবে। যখন সেঁজুতি না চাইতেও রাগী মনােভাব নিয়ে ছাদে আসে এসে দেখে সজল দাঁড়িয়ে আছে ঔষধ আর কিছু খাবার হাতে নিয়ে। সেঁজুতিকে নিজ হাতে খাবার খাইয়ে ঔষধ খাইয়ে দেয় ঠিক তখনি সেঁজুতির চোখ অশ্রুজলে ভিজে যায়। আর সেই আনস্মার্ট সজলকে সেঁজুতি ভালােবেসে ফেলে। তবে সজলের পারিবারিক সমস্যা থাকার কারণে সজল বিয়ে করে অন্য এক মেয়েকে। সজলের এখন একটি ছেলে সন্তানও আছে। সেঁজুতি এখনাে সজলকে দূর থেকে ভালােবেসে যায়।