

জীবনটা নদীর মতো বয়ে যায়। তার কর্মমুখর পথের দু'ধারে অববাহিকার শস্য-শ্যামল সাহিত্য সবুজ রঙ্গিন হাত দিয়ে জড়িয়ে রয়েছে আমার হৃদয়ে। কখনো তা ভোরের গৈরিক রঙে ত্যাগ মন্ত্রে দীক্ষিত, কখনো বিকেলের কনে দেখা রোদে ঘরে ফেরার গান, কখনো প্রতিজ্ঞা, কখনো হাসি, কখনোবা অভিমান। কখনোবা তা বীরমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে মানবাত্মার কল্যাণের খোঁজে ফেরার-এসব নিয়েই আমার সাথে সাহিত্যের দীর্ঘদিনের জমজমাট প্রেম। তাঁর সাক্ষাতকারের সাক্ষী হতে বারণ নেই কারোর। তাই তো সে রোজ 'অভিমানী নন্দিনী বধূয়া'-এর দরবারে একমুঠো দমকা হাওয়ার ভালোবাসা নিয়ে পাঠকের সামনে হাজির হয়েছে উপন্যাসের রূপ নিয়ে। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র প্রিয়ম ও দিবা। ঘটনার শেষ পর্যায়ে তাদের দু'জনের মিলন হলেও উভয়কেই হারাতে হয়েছে অনেক কিছু। বলা চলে উভয়ের জীবনের সবকিছু ত্যাগের বিনিময়ে তারা একে অপরের সান্নিধ্যে আসতে পেরেছে। এই মহামিলন নিশ্চয়ই আমাদের আনন্দ বেদনার সহজ ভাগাভাগি হয়ে দেখা দেবে সৃজনশীলতার মধ্যে। সব প্রশংসা মহান আল্লাহর। যাঁর অপার কৃপায় এ উপন্যাসের কাজ শেষ করতে পেরেছি। তাঁর পরেই আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত আমার অর্ধাঙ্গ মেজর মো. মাজহারুল হাসান এবং আমার ছোট ভাই ব্যাংক কর্মকর্তা গোলাম মাওলা শাকিলের প্রতি। কারণ, তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম, মেধা আর সময়ের বিনিময়ে তিল তিল করে গ্রন্থ আকারে গড়ে উঠেছে আমার লেখা 'অভিমানী নন্দিনী বধূয়া' উপন্যাসটি। আরও কৃতজ্ঞতা জানাই তাদেরকে যারা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে আমাকে সহযোগিতা করেছেন এ বইটি প্রকাশে। আশাকরি উপন্যাসটি পাঠকদের ভালো লাগবে। আর পাঠকদের ভালো লাগলেই আমার এ প্রচেষ্টা সফল হয়েছে বলে মনে করবো।