

পরদিন কেবিনে কোস্টগার্ড,নেভী,পুলিশ এর দল৷ লাশ ক্লেইম করছে উনারা আর যেটা সবচেয়ে অবাক করেছে সেটা হলো জাহাজের রোটার বা পাখায় একটা দড়ি পেচানো৷ ভাল ভাবে পেচাইসে । যাতে পাখা ঘুরে জাহাজ চলতে না পারে৷ এখানেই বাধ্য হয়ে দাঁড়ায়৷ মাঝ মোহনায় , আর যে এই কাজ টা করসে সে পানি দিয়েই পালিয়েছে৷ কোস্ট গার্ড অফিসার সব শুনে বলল। এখান থেকে মিরশরাই ৩১ কিলোমিটার, নোয়াখালী কোম্পানিগঞ্জ ও হাতিয়া ৪০ কিলোমিটার প্রায়৷ নেভী অফিসার যিনি ছিল তিনি বলল খু/নী মাস্ট বি এ মার্কিন নেভী সীল স্পেশাল ফোর্স। মাস্ট বি হী৷ তার দিকে সবাই ঘুরে তাকালো। সে বলল এই আতাতায়ী প্রায় ৪০ কিলোমিটার সাতরে পার হয় । ৪০ কিলোমিটার উত্তাল মোহনা। এর মানে বুঝেন? সে নিশ্চই মার্কিন নেভী সীল বা রাশিয়ান আলফা ফোর্সের ট্রেনিং প্রাপ্ত সে। আর কেবিনের দেয়ালে রক্ত দিয়ে নিজের নাম লিখে গিয়েছে। পড়েন নি সেটা? কি যেন নাম টা? খুব ইন্ট্রেস্টিং নাম টা। বলল কোস্ট গার্ড অফিসার। ডেভেনফোর্ড, মেজর ডেভেনফোর্ড । মেজর ডেভেনফোর্ড? অবাক হলো নেভী সীল । কারন নাম টা বৃটিশ আর মার্কিন নামের সংমিশ্রণ । পুলিশ লাশ ক্লেইম করে এম্বুলেন্স বোর্টে তুলল৷ ফরেন্সিক টেস্টের জন্য লঞ্চটি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ যাত্রীদের একে একে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। জানে যদিও যে তারা কিছুই জানবে না এদের ব্যাপার এ। তবে নেভী অফিসার নিজে একবার সার্চ অপারেশন চালাতে চায় নদীতে। যদি কোন ভাবে ডেভেনফোর্ড পালানোর সময় চোরা স্রোতে ডুবে মারা গিয়ে থাকে৷ নেভী অফিসার আকিব একটা সম্ভাবনার কথা বলে উঠল। সবাই জানতে চাইল কি সেটা? আকিব বলল, দেখুন এত দূর কেউ সাতরে আসতে পারবেনা। আমি যেটা সন্দেহ করছি তার সম্ভাবনা ১০০ ভাগে মাত্র ০.১ ভাগ ঘটার সম্ভাবনা আছে। কোস্ট গার্ডের অফিসার জিজ্ঞেস করল আবার কি সেই সম্ভাবনা? আকিব বলল এই ধরুন কোন সাবমেরিন এসে তাকে এখানে নামিয়ে দিয়েছে আবার সেই সাবমেরিন তাকে আবার নিয়ে গিয়েছে। কোস্ট গার্ডের অফিসার আলিফ ব্যাঙ্গাত্মক হাসি দিয়ে বলল সাবমেরিন? তাও নেভী আর কোস্ট গার্ডের চোখ ফাকি দিয়ে বাংলাদেশ এর জলসীমার অভ্যন্তরে ঢুকে যাবে? আপনি আদৌ সুস্থ আছেন? এইবার নেভী অফিসার আকিব ক্ষেপে গিয়ে বলল আপনি ঠিকাছেন? একটা গটল্যান্ড ক্লাস সাবমেরিন এতই স্টেলথ যে গটল্যান্ড ক্লাস সাবমেরিন কে ডিটেক্ট করতে পশ্চিমা টেকনোলজিও নাকানি চুবানি খাবে৷ আর ইরানী গাদির ক্লাস সাবমেরিন তো এতই ছোট যে আমাদের দেশের যত মরা, শুষ্ক নদী আছে ওগুলাতেও চলবে কিন্ত সাবমেরিন টা গভীর সমুদ্রে চলাচল করতে পারেনা কম ওজন, ছোট আকৃতি। আর যদি মারাত্মক আন্তজার্তিক হুমকি না হয় তাহলে অন্তত এইভাবে সাবমেরিন দিয়ে গুপ্ত হত্যা করাবে না। আর রনি জনি এমন কেউ না যার জন্য পশ্চিমা বিশ্ব হুমকির মুখোমুখি হবে৷ তাই সম্ভাবনা মাত্র ০.১%। মাথাটা কাজ করছেনা বুঝলেন৷ কিভাবে সম্ভব এটা। আর সে কোন বোর্ট নিয়ে আসলে সেটা যাত্রীদের চোখে পড়তই৷ হঠাৎ আলিফ বলল,সাবমেরিন এ করে আসলে কি যাত্রীদের চোখে পড়ত না? আকিব বললেন, নাহ পড়ত না। কারন সাবমেরিন অনেক দূরে থাকত। ডেভেনফোর্ড কে নামিয়ে দিয়ে দুরেই অপেক্ষা করছিল হয়ত। সাবমেরিন এর রং ও কালো, আর অন্ধকার রাতে কে বা ডিটেক্ট করবে ওটাকে? আলিফ হুম করে লম্বা করে শব্দ করল শুধু।
অসাধারণ
Read all reviews on the Boitoi app