

পরদিন বিকাল ৩টায় আগ্রাবাদে শিশিরের বাসায় ভালোবাসার পরীক্ষা দেওয়ার জন্যে তৈরি সবুজ। হাতে তেমন টাকা নেই, ভালো কিছু নিয়ে শিশিরের বাসায় যাবে। হবু শ্বশুরের বাসায় খালি হাতে কি যাওয়া যায়, তাই সবুজ ৫ কেজি মিষ্টি কিনে রিকশা ভাড়া করে আগ্রাবাদে শিশিরের বাসায় গেল। শিশির সবুজকে নিচ তলা থেকে এগিয়ে তিনতলায় নিয়ে গেল। সবুজ ড্রইং রুমের সরঞ্জামাদি দেখে দুই নয়নে তাকিয়ে রইল। খানিক পরেই শিশিরের মা ড্রইং রুমে এলো। সবুজকে দেখে শিশিরের মা মুগ্ধ হলো তার কিছু পরেই শিশিরের বাবা ড্রইং রুমে এলো। সবুজের সাথে লেখাপড়াও নানা বিষয়ে কথা বলল। সবুজের বাবার পেশা ও ভাই-বোনদের খোঁজখবর নিল। কিন্তু সবুজের বাবা ছিল ডাক্তার, পল্লি চিকিৎসক। সেই কথা শিশিরের বাবাকে বলা হয়নি। শিশিরের বাবা সবুজকে দেখে খোঁজখবর নিয়ে বরফ গলল। তার মনের মাঝে যে ক্ষত ছিল তা কিছুটা স্বস্তি এলো। বাবা, মার কিছুটা আনন্দ দেখে শিশির আনন্দে আত্মহারা। সবুজকে বাহারি খাবার নিজহাতে পরিবেশন করল শিশির। আদর ও আপ্যায়নের কারো কাছ থেকে কমতি রইল না। নতুন জামাই যেন বাড়িতে পা রেখেছে। সবাই মিলে জামাইষষ্ঠী করল।