

কলেজে পড়ুয়া মেয়ে জেনিথ। মানুষ হিসেবে একগুঁয়ে, জেদি, প্রতিশোধপরায়ণ। ছোটবেলায় এক দুর্ঘটনায় বাবা-মাকে হারানোর কারণে নানাবাড়িতে মানুষ। নানাবাড়ির প্রধান হর্তাকর্তা, সর্বেসর্বা নানুর চোখের মণি হওয়ার দরুণ এখানে জেনিথের আধিপত্য, দাপট অন্য সদস্যদের চেয়ে খানিকটা বেশি। পরিবারে নানু ছাড়া কারো সঙ্গে তার সম্পর্ক তেমন ভালো নয়। তা নিয়ে জেনিথের অবশ্য মাথা ব্যথা নেই। নিজের মতো থাকে, যেখানে খুশি ঘুরেফিরে বেড়ায়। নিজের কাজের কৈফিয়ত কাউকে দেওয়ার তার স্বভাব নেই। অদ্ভুত ধাঁচের এই মেয়েটির ষোড়শী মন হঠাৎ করে উতলা হয়ে ওঠে সীমান্ত নামের সুদর্শন এক ছেলের প্রেমে। কিন্তু ছেলেটির ছিল অন্য আরেকজনের সঙ্গে প্রণয়। এটাই হয়ে ওঠে জেনিথের মনে অহরহ যন্ত্রণা, ক্ষোভের কারণ। পছন্দের জিনিস নিজের করে পাওয়ার আজন্ম জেদ যে মেয়েটির, সে কীভাবে তার জীবনের প্রথম প্রেমের মানুষটিকে না পাওয়ার এই ব্যর্থতা মেনে নেবে? ভালোবাসায় কী খাটবে তার এই জেদ?
"ক্ষোভ, অভিমান, রাগ, বিরাগ, ঝড়, ঝাপটা, প্রেম, মায়া, কান্না, এবং ভালোবাসা... সব কিছু মিলিয়ে দারুন গল্প। জেনিথ এর চরিত্র অসাধারণ ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ভালো লেগেছে।"
আপনার লেখা বেশ সুন্দর। পড়ার শেষে পাঠক হৃদয় তৃপ্তি পেয়েছে। পার্সোনাল রেটিং :৭\১০
Read all reviews on the Boitoi app
ক্ষোভ, অভিমান, রাগ, বিরাগ, ঝড়, ঝাপটা, প্রেম, মায়া, কান্না, এবং ভালোবাসা... সব কিছু মিলিয়ে দারুন গল্প। জেনিথ এর চরিত্র অসাধারণ ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ভালো লেগেছে।
What a beautiful story without any vulgarity!!!
শেষটা আরো ভালো হতে পারতো।গল্পের শেষটা ভালো লাগেনাই।
এত অসাধারণ একটা বই বারবার পড়ি আর হাসতে থাকি।যখনই মন খারাপ থাকে তখনই তানজিলা আপুর লেখা পড়ি।বই এর মাঝে ডুবে যাই।জেনিথ- সিমান্ত অসাধারণ।
এত সুন্দর একটা গল্প, আহ সীমান্ত। পড়েছি বহুদিন আগেই, আজ এসে সুন্দর করে মন্তব্য করে গেলাম। "আমার প্রথম প্রেন" দারুণ লেখনী আর ভালোবাসাময়❤️
অনেক সুন্দর গল্প, শুয়ে-বসে একটানা গল্পটা শেষ করলাম। অনেক ধন্যবাদ লেখিকা।
বছর কয়েক আগের কথা।হঠাৎ করে চলমান একটা গল্প সামনে আসে।আমি ইমোশন জিনিসটাকে মারাত্মক ভয় পাই।কারো জন্য পাগলামি করাটা আমার ধাতে নেই।তবে সেই বছর খুব ইচ্ছে হলো জেনিথের মতো সাহসী হবো।তাই কল্পনায় নিজেকে জেনিথের আসনে বসিয়ে দিয়েছিলাম।হুট করেই লেখিকা গল্প দেয়া বন্ধ করে দেয়।কি যে মন খারাপ হয়েছিলো বলে বুঝাতে পারবো না।এরপর বহুদিন গল্পের রেশ মনে ধরেছিল।নিজের মতো গল্প সাজিয়ে নিতাম।সত্যি বলতে আমি চাইতাম জেনিথের জীবনে অন্য কেউ আসুক,সীমান্ত ভাই আফসোসে মরে যাক।এভাবেই চলে গেল অনেকদিন।তারপর একদিন শুনলাম ই-বুক বেরিয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি ও সামর্থ্য ছিলো প্রতিকূলে।তাই আমার এই অসাধারণ গল্পটা পড়া স্থগিত হয়ে রইল।আজ কেনো যেনো হুট করেই গল্পটার কথা মনে পড়ে গেলো।এবার আর দেরি করলাম না।কিনে পড়ে ফেললাম।নিজেকে এর আগে এতো সুখী মনে হয়নি।হয়তো এটা সামান্য গল্প ছিলো এবং আমি ওভার রিয়েক্ট করছি,তবে এটা আমার ষোড়শী মনের অনুভুতি। আমি তো জেনিথ নই,জানি হতেও পারবোনা। তাই আমি চরিত্রের মাঝেই নিজেকে হারাই।ধন্যবাদ লেখিকাকে এতো সুন্দর করে জেনিথকে ফুটিয়ে তোলার জন্য।
এতো সুন্দর বলে বুঝতে পারবো না। সীমান্ত ভাইয়ের জন্য জেনিথের পাগলামি খুব ভালো ছিলো।কিন্তু সীমান্ত ভাইয়ের করা আচরণে তার প্রতি বিতৃষ্ণা চলে আসছিলো। কিন্তু শেষে তার সাথেই এন্ডিং দেয়া টা মানতে পারছি না। গল্পের শেষে একটা মেয়ের আত্মসম্মানবোধ যে কতটা প্রখর হতে পারে সেটা দেখালেই বোধ হয় ভালো হতো।
দারুন। আমার পড়া ওয়ান অফ দি বেস্ট কিছু। জেনিথ যেন আমিই। বাস্তবতা আর রুপকথা মিশে খুবই সুন্দর কিছু তৈরি হয়েছে। আমি এতোই মুগ্ধ যে কথারাও হারিয়ে যাচ্ছে। এক উপন্যাসে হাসলাম,রাগলাম,কাঁদলাম,তৃপ্তি পেলাম পরিশেষে মুগ্ধ হলাম৷ অনেক অনেক ভালোবাসা আর শুভকামনা লেখিকার জন্য।🤍