

রুমা এবং পলাশ দেশের একটি নামকরা বায়িং হাউজে কর্মরত আছেন। রুমা পলাশের থেকে বয়সে এক থেকে দেড় বছরের সিনিয়র। অফিসেও সিনিয়র। রুমার ব্যক্তিত্বকে বেশ সমীহ করে পলাশ। এই অফিসে জয়েন করার পর থেকে পলাশ রুমাকে নোটিশ করছে। তবে এই নোটিশ করাকে কেন্দ্র করে একটি গল্প আছে। সেটি পুরো গল্প পড়ার সময় জানা যাবে। রুমাকে যত দেখছে পলাশের কৌতূহল ততই বেড়ে চলছে। কিন্তু মেয়েটিকে বেশি জানা সম্ভব হচ্ছে না। এক অদৃশ্য আবরণে মেয়েটি নিজেকে ঢেকে রেখেছে। ততটুকুই জানা যাচ্ছে মেয়েটি যতটুকু অন্যদের নিজের সম্পর্কে জানতে দিচ্ছে। সমস্যা হলো কাজের বাইরে রুমা নিজের ব্যাপারে কাউকেই কিছু জানতে বা বুঝতে দেয় না। কলেজ জীবনে বাদল নামের এক ইংরেজি শিক্ষকের প্রেমে পড়েছিলো রুমা। শিক্ষকের সাথে সরাসরি প্রেম হয়নি, তবে আত্মিক এক বন্ধন গড়ে উঠেছিলো। সেই বন্ধন থেকে এখনো মুক্ত হতে পারেনি রুমা। বাদলের জীবনে এসেছিলো রিমু নামের এক নারী। দীর্ঘদিন প্রেমের পর তাঁরা বিয়ে করেছিলো। কিন্তু সেই সংসার গুণে গুণে মাত্র ১৫দিন টিকেছিলো। তারপর দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলে কে কার জন্য অপেক্ষা করে নিজের অজান্তেই প্রশ্ন করে, "তুমি কি কখনোই ফিরবে না?"