

এতোদিন বেশ ভালোই ছিলাম। লেখাপড়া নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম। লেখাপড়া করে অনেক দূর যাবার স্বপ্ন দেখতাম। সব ঠিকঠাক ভাবেই চলছিল। কিন্তু হঠাৎ করে সব কেমন যেন ওলট-পালট হয়ে গেল। এইতো কিছুক্ষণ আগে কলেজ থেকে বাড়িতে পা রাখতে না রাখতেই টের পেলাম হয়তো বাড়িতে মেহমান এসেছে। কিন্তু যারা এসেছে তাদেরকে আমি এর আগে কখনো দেখিনি! বাবা বা মায়ের পরিচিত কেউ হবে হয়তো। এই ভেবে উনাদেরকে সালাম করে যেই নিজের রুমের দিকে পা বাড়ালাম অমনি পেছন পেছন মায়ের আগমন! এসেই একটা শাড়ি আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন, ‘এটা পরে নে রুফাইদা! লোপা তোকে হেল্প করবে।' ওহ হ্যাঁ আপনাদের তো বলাই হয়নি, আমি রুফাইদা তারান্নুম। এইবার এইচএসসি পরীক্ষা দেব। লোপা আমার ফুফাতো বোন। কয়েকদিন হলো ও এখানে বেড়াতে এসেছে। ‘মাআআ! আমি, শাড়ি! আমি শাড়ি কেন পরব? আর তুমি জানো না আমি শাড়ি পড়তে পারি না!' ‘তোকে দেখতে এসেছে! এখন কথা না বাড়িয়ে যা বলছি তা-ই কর। লোপা শাড়ি খুব ভালো পরাতে পারে। লোপা ওকে শাড়িটা তাড়াতাড়ি পরিয়ে দেতো মা।' ‘মানে! আমাকে দেখে কি কোনো জন্তু- জানোয়ার মনে হয়? আমাকে কি কোন চিড়িয়াখানায় আটকে রাখা হয়েছে নাকি সেখান থেকে পালিয়ে এসেছি যে দূর দূরান্ত থেকে লোকজন আমায় দেখতে আসবে!' ‘ঠাঁটিয়ে দু'টো চড় লাগাব গালে! বড়-ই হয়েছিস শুধু, সাথে শিখেছিস যতসব উদ্ভট উদ্ভট কথা! এসবের সাথে এক রত্তি বুদ্ধি-শুদ্ধি যদি হতো। পাত্রপক্ষ তোমায় দেখতে এসেছে! এবার তাড়াতাড়ি রেডি হও দেখি!' ‘মাআআ তুমি কি পাগল হলে হ্যাঁ! সামনে আমার এইচএসসি এক্সাম আর এই সময় তুমি কিনা, ধ্যাত..! পারব না আমি।' ‘আমি নই, তোমার বাবা! হ্যাঁ এটা তোমার বাবার-ই ইচ্ছে। এখন আর একদম কথা বাড়াবে না। তোমাকে পরে সবকিছু বুঝিয়ে বলছি, এখন চুপচাপ যা বলছি তাই করো। উনারা অনেক্ষণ থেকে বসে আছেন!'
🖤🖤
Read all reviews on the Boitoi app
𝙽𝚒𝚌𝚎 𝙱𝚘𝚘𝚔