

তাঁর নিজের কোন নাম ছিল না, ছিল কেবল একটি পরিচয়। তিনি, জামান সাহেবের স্ত্রী। এই পরিচয়ে তাঁর কোন আপত্তিও ছিল না কোনদিন। তারপর একদিন গভীর রাতে জামান সাহেব ঘরে নিয়ে এলেন আরও একজন বধূ... ক্ষোভে কিংবা অভিমানে, ক্রোধে কিংবা অপমানে, একই ছাদের নিচে থেকেও প্রিয় পুরুষটির সাথে সেই নারী তৈরি করে নিলেন এক জীবনের ব্যবধান। একমাত্র পরিচয় খানাও তাই গেল হারিয়ে, সে রাতেই। শুনতে পাওয়া যায়, জীবনে আর কোনদিন জামান সাহেব তাঁকে দেখতে পাননি। চোখের দেখাও না। এই গল্প সম্পর্কের জটিল সমীকরণে জড়িয়ে যাওয়া একজন পুরুষের, যিনি আজীবন বয়ে বেড়িয়েছেন ভালোবাসার পাপ। তারপর একদিন... বহু বছরের ব্যবধান পাড়ি দিয়ে জীবন তাঁদেরকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল আবারও মুখোমুখি। এই গল্প অপমান, প্রতারণা, বঞ্চনার। এই গল্প পাপ, স্মৃতি ও ভালবাসার। এই গল্প বহুকাল বাদে দু’জন মানব-মানবীর প্রথম দেখার। এই গল্প তীব্র অভিমানে জীবন পার করে দেয়ার। কিংবা – একজন তরুণি গৃহবধূর। তাঁরও নিজের কোন নাম ছিল না, কিংবা হারিয়ে গিয়েছিল সংসারের গর্ভে। তিনি কিংবা তাঁরা...জামান সাহেবের স্ত্রী!
Excellent
Read all reviews on the Boitoi app
আমার কাছে লেখনী খারাপ লাগে নি। কিন্তু শুধু শুধু শারীরিক মেলামেশার বর্ণনা বেশ রগরগে করে লেখা মনে হয়েছে। এটা পরিমিত মাত্রায় থাকলে আমার কাছে ৫স্টার হতে পারত। লেখকের জন্য শুভকামনা। 🥀
খুব আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় ছিলাম বইটির। সুন্দর লেখা,বরাবরের মতোন। তবে জামান সাহেবকে চরম স্বার্থপর মনে হয়েছে, আলতা বানুকে হিংসুটে ও স্বার্থপর মনে হলো। আর আফরোজা! সবচেয়ে বোকা চরিত্র,ভেবেছিলো প্রতিশোধ নিয়েছে,ভেবেছিলো কেউ অভিমান বুঝবে। কেউ বুঝেনি।নিজের জীবনটাই নষ্ট করে দিলো মিথ্যা অহমিকায়।
অনলাইনে বইটা পড়ার জন্য অনেক দিন অপেক্ষা করছিলাম। বিদেশ থাকিতো, দেশে যাওয়া হয় না। এমন কেউ নেই যে যত্ন করে বইটা কিনে পাঠাবে। জামান সাহেবের মায়ের মতনই কেউ জীবন দুর্বিষহ করে রেখেছে। আমার জীবনে জামান সাহেবও আছেন। আমার জামান সাহেব কাউকে ঘরে আনেননি, কিন্তু স্ত্রী রেখে অন্যের পিছে ছুটেছেন ঠিকই। তাই আফরোজার দুঃখ বুঝতে খুব একটা কষ্ট হয়নি। এই সমাজে নবনী আর আফরোজা বেগমের মতন অনেকে আছে। কিন্তু এত সুন্দর করে তাদের গল্প বলার মতন রুমানা আপুই আছেন শুধু। অপার্থিবের অপেক্ষায় রইলাম আপু। ভালোবাসা রইল।
আপু চমৎকার একজন মানুষ। আর উনি এতো চমৎকার লেখেন, আপনার মনে হবে আপনি চরিত্রে ডুবে গেছেন।