

উম্মুল মুমিনিন আয়েশা বিনতে আবি বকর রাযি.। তিনি কেবল নবীজির প্রেমধন্য সহধর্মিণীই ছিলেন না; ছিলেন হাদিসশাস্ত্রের প্রদীপ্ত এক নক্ষত্র। ইসলামি ফিকহেও তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তৎকালীন আরবে জ্ঞানে-গুণে তাঁর অবস্থান ছিল শীর্ষে। নবীজির বড় বড় পুরুষ সাহাবিগণও তাঁর কাছে জটিল মাসআলার সমাধানের জন্য আগমন করতেন। শৈশবকাল থেকেই আয়েশা রাযি. ছিলেন প্রখর মেধার অধিকারীণি। সম্পূর্ণ কুরআন হিফজ করেছিলেন। যা একবার শুনতেন, সাথে সাথে মুখন্থ করে ফেলতেন। পুথিঁগত বিদ্যা অর্জন ছাড়াও গৃহস্থালী বিদ্যায় পারদর্শী ছিলেন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তেকালের পর যে কয়জন সাহাবি মদিনায় ফতোয়া প্রদানের দায়িত্ব পালন করতেন, আয়েশা রাযি. তাঁদের অন্যতম। উম্মতে মুসলিমার নারীশিক্ষার প্রণোদনায় আজও তিনি অমর হয়ে আছেন। কুরআন ও সুন্নাহর জ্ঞান অন্বেষায় তাঁর অনুসন্ধিৎসা মুসলিম মানসে প্রেরণা জুগিয়ে যায় এখনো। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে আয়েশা রাযি. হচ্ছেন চতুর্থ। নবীজির কাছ থেকে তাঁর সূত্রে বর্ণিত মোট হাদিসের সংখ্যা ২২১০।