

*_বুঝিনি তোমার ভালোবাসা_* মধ্যবিত্তের ঘরে জন্ম আমার,,, বয়স ১২ তে পা পরতে না পরতে বিয়ের ঘর নিয়ে আসতো আসে-পাশের পাড়া-পড়শীরা,আত্মীয়-স্বজনরা!।মাত্র ১২ বছর বয়সে কোনো মেয়েই চাইবে না বিয়ের জন্য রাজি হতে।ঠিক তেমনি আমিও রাজি হতাম না কখনোই, এই নিয়ে আমাকে কত কথা শুনতে হয়েছে পরিবারের লোকজন থেকে শুরু করে আত্মীয়-স্বজন,পাড়া-পড়শীরা কেউ বাদ রাখেনি,,,এমন কি আমার নামে বিভিন্ন মিথ্যা অপবাদ দিতেও দ্বিধা বোধ করেননি তারা।(এইভাবে চলল প্রায় পাঁচটি বছর) ঠিক বয়স যখন ১৭ আমার তখনই ফেসবুকে বন্ধুদের সাথে খুব বেশি কথা বলতাম,আর তখনই আফরিন আপুর (সম্পর্কে আমার চাচাতো বোন) খালাতো ভাই যার সাথে বিগত এক বছর আগে থেকেই আমার পরিচয় ছিলো, মাঝে মাঝে কথা হতো। ভাইয়া আমাকে পছন্দ করে তা আমি আগে থেকেই জানতাম। কয়েকবার সে প্রকাশ ও করেছিল। তার নাম নেহাল, আমি তাকে নেহাল ভাইয়া বলে ডাকি,হঠাৎই একদিন ভাইয়ার সাথে আমার এসএমএস এ কথা হচ্ছিলো সেদিন ঠার্টি ফার্স্ট নাইট ছিল, তো কথার মাঝে এক পর্যায়ে সে আমাকে বলল কল দেও কথা বলি আমি আচ্ছা দিচ্ছি অপেক্ষা করুন সবাই ঘুমাক নাহলে শুনতে পাবে,তো আমি সুযোগ বুঝে তাকে কল করলাম,সে পার্টিতে ছিলো। কল রিসিভ করলো কথা বলতে লাগলাম হঠাৎ নেহাল ভাইয়া আমাকে বলল আমাকে ভালো না বাসলে কথা বলা লাগবে না,,এইটার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না।আমি অপ্রস্তুত ছিলাম তাই বেশ কিছক্ষন চুপ করে থাকার পর বলতে লাগলাম দেখেন নেহাল ভাইয়া আমি প্রেম টেম করতে পারবো না আমাকে ডিরেক্ট বিয়ে করতে পারবেন? কারন এমনিতেই আমার বাড়ি থেকে বিয়ের জন্য প্রচুর প্রেসার দিচ্ছে। বিয়ে করতে পারলে আমি রাজি আছি, নেহাল ভাইয়া বললেন এখন বললেই তো আর বিয়ে করতে পারবো না আমার একটু সময় লাগবে।আমি বললাম কতটুকু সময় লাগবে আপনার? নেহাল ভাইয়া বললেন আমার ২ বছর সময় লাগবে। তুমি কাউকে কিছু জানিও না আফরিনকেও কিছু বলিও না আমাদের বিষয়ে।আমি বললাম আচ্ছা ঠিক আছে বলবো না😊 ওহ দেখলেন তো, আমি তো কথায় কথায় ভুলেই গিয়েছিলাম আমার পরিচয় টা দিতে! আমার পরিচয় টা তাহলে দিয়েই নেই,আমি আনফিহা রহমান,সবাই আমাকে আনফিহা বলেই ডাকে।আমি এখন ইন্টার প্রথম বর্ষে পড়ুয়া ছাত্রী। চলুন ফিরে আসা যাক তারপর....... (কি হয়েছিল আমাদের মাঝে তা জানতে অবশ্যই আমার গল্পের সাথে থাকতে হবে।কোনো ভুল ত্রুটি থাকলে ক্ষমা শূন্য দৃষ্টিতে দেখবেন।)