

আমার কানে হাত দিয়ে রেখেছেন কেনো বিহান ভাই?" বিহান নিরবতা ভেঙে নরম কন্ঠে উত্তর দিল, "চারদিকে এত মেঘের গর্জন। এত বিকট শব্দ তোর কানে গেলে ভয় পাবি। এমন ভয়ঙ্কর শব্দে কানের ক্ষতি হতে পারে। দেখা গেল আর কানে শুনলি না। এতে তোর খুব একটা ক্ষতি না হলেও তোর প্রেমিক মহাশয় এর তো ক্ষতি হবে দিয়া। তোর জন্য সাজিয়ে রাখা প্রেমের মহাকাব্য সে যখন নিজ মুখে বলবে তুই তো আর শুনতে পাবিনা। " "আপনার কানেও তো সমস্যা হতে পারে।" "আমার কান ফেটে যাক, নষ্ট হয়ে যাক তবুও তুই অক্ষত থাক পিচ্চি। " "আপনার প্রেমিকা ও তো আপনাকে প্রেমের কথা শোনাতে পারে। আপনার কানে সমস্যা হলেও তো আপনি কানে শুনবেন না। তখন কি হবে।" বিহান দিয়ার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, "তার প্রতি আমার ভালবাসা প্রবল দিয়া। তার কখনো মুখে ভালবাসি না বললেও চলবে।আমি তার চোখের ভাষা বুঝি। ওই চোখ আমাকে কি বলতে চায় আমি বুঝি।তার দুই ঠোঁট কম্পিত হলেও বুঝতে পারি সে কি বলতে চায়।"
💞💞
Read all reviews on the Boitoi app
ফেইসবুকে বিহান দিয়া চমৎকার ছিল।এই ইবুক পড়ে মনে হচ্ছে লেখিকা পাঠকদের কমেন্টস খুব মিস করেছেন। শেষের অংশ পড়ে মনে হলো প্লট পূর্ব নির্ধারিত ছিল না,কমেন্টের অভাবে আগাতে পারছেন না।যাচ্ছেতাই ভাবে শেষ করেছেন গল্পটা। শেষটা আরও সুন্দর হতে পারতো!! (সম্পূর্ন নিজস্ব মতামত),,,,,,,যাই হোক বিহান আমার খুবই পছন্দের চরিত্র। লেখিকার জন্য শুভ কামনা!
২০২১ সাল থেকে আমি ফেসবুকে গল্প পড়া শুরু করি।আর আমার পড়া প্রথম গল্প টা হলো এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যা। ফেসবুক স্ক্রোলিং করতে করতে হঠাৎ একটা লেখা সামনে আসলো।তখনো আমার গল্প উপন্যাস পড়া নিয়ে তেমন ইন্টারেস্ট ছিল না।কি মনে করে সেদিন গল্প টা পড়া শুরু করেছিলাম। তারপর থেকে আমার গল্প উপন্যাসের প্রতি এতো আগ্রহ। আমার প্রিয় লেখিকার মধ্যে সর্বপ্রথম যোগ হলো মৌসুমী আপু আর প্রিয় জুটি বিহান-দিয়া। কেন জানি না বিহান-দিয়ার প্রতি আমার ভালোবাসা টা অন্যরকম।আমি এই জুটি টাকে ভুলতে পারি না।আরো অনেক গল্প পড়েছি কিন্তু বিহান ভাইয়ের মতো এতোটা নিখোঁজ, কেয়ারিং, রোমান্টিক নায়ক আর কাউকে আমার মনে ধরেনি। তারপর থেকেই মৌসুমী আপুর সব গল্প একে এক করে পড়া শুরু করি।আর সেই থেকে এখন অবধি গল্প পড়া আমার কাছে একটা নেশা হয়ে গেছে। মৌসুমী আপুর লেখা গল্পের যতোগুলো জুটি তাদের মধ্যে সবার প্রথমে যে নাম থাকবে তা হলো বিহান-দিয়া জুটি।বিহান ভাই আমার সেই স্বপ্নের পুরুষ যাকে আমি সবসময় আমার কল্পনায় দেখি।হয়তো বিহান ভাই কে নিয়ে লিখতে গেলে একটা উপন্যাস লিখে ফেলতে পারবো। আমি কোনো দিন এসব গল্প উপন্যাসের বই কিনি নাই। কিন্তু বিহান-দিয়ার 'তুমি নামক প্রিয় অসুখ' না কিনে থাকতে পারি নাই। এখন অপেক্ষায় আছি কবে 'এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যা ' বইটা প্রকাশিত হবে।লাভ ইউ বিহান ভাই। তোমার মতো প্রেমিক পুরুষ পেলে কোনো মেয়ে আর জীবন নিয়ে আফসোস করতো না। তুমি যদি বাস্তবে থাকতে বিশ্বাস করো জীবনে একবার হলেও তোমাকে দুচোখ ভরে দেখতে চাইতাম।🥺🥺
বিহান দিয়া মানেই আমাদের আবেগ, সুন্দর অনুভূতি আর টুকরে টুকরো ভালোবাসা।বিহান ভাই মানেই একরাশ মুগ্ধতা। তার মতো strong personality র মানুষ জীবনে পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।সে নিজের আত্মসম্মান বজায় রেখে ভালোবাসতে যেমন জানে নিজের ভালোবাসাকে আগলে রাখতেও জানে।তার রাগ আর তার জেলাসি, তার জেদ আর তার ভালবাসা, তার বিরক্তি আর তার হাসি সব কিছুতেই সে সবার থেকে আলাদা।ভিষণ স্পেশাল। আমার গল্প পড়া শুরু হওয়ার পর বিহান ভাই ই প্রথম পছন্দের চরিত্র কিন্তু সে আমার ক্রাশ না। কারন আমি অন্যের পুরুষের দিকে অন্য নজরে তাকাই না😎।আর দিয়া সে তো বিহান ভাইয়ের ভাষায় বৃষ্টি বিলাসী, ছোট পাখি,এলোকেশী, ভীষন রাগী আর মহিলা মানুষ।সত্যি বলতে এই দুই চরিত্র নিয়ে যাই বলিনা কেন তাই কম হয়ে যাবে।এবার গল্পে আসা যাক, বিহান দিয়ার বৃষ্টি বিলাস একটি কাজিন রিলেটেড গল্প।বিহান দিয়া বাদেও এখানে আরও অনেক সুন্দর সুন্দর চরিত্র আছে।কিছু পবিত্র বন্ধন আছে আর আছে অকৃত্রিম ভালোবাসার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বিহান: বিহান ভাই মানেই একরাশ মুগ্ধতা। সে মেডিকেল এর ছাত্র ভিষণ হ্যান্ডসাম। দিয়া: বাচ্চা একটা মেয়ে।বিহানের ফুফাতো বোন সরি সরি ফুফুর মেয়ে কিন্তু বোন না🤣 বিভান: বিহানের চাচাত ভাই।অসাধারণ চরিত্র। রিয়া: দিয়ার চাচাতো বোন।খুবই সুন্দরী মেয়ে।বিভোরের ভাষায় ফুফুতো বোনের ক্লাসমেট কাজিন। এছাড়াও আছে আবির,মেহু,আলিপ,তোহা আরও অনেকে। পরিশেষে বলব এই উপন্যাস না পড়লে কিছু সুন্দর অনুভূতি মিছ করবেন। তাই উপন্যাস টা পড়ে বিহান দিয়ার প্রেমে পড়ুন ধন্যবাদ ☺️
বিহান দিয়া বেষ্ট জুটি। খুব খুব ভালো লেগেছে গল্পটা। এক কথায় অসাধারণ ছিল।
সারকথাঃ এক গম্ভীর যুবক ও এক চঞ্চল মেয়ের মনে দীর্ঘদিন লুকিয়ে গড়ে উঠা ভালোবাসার গল্প। লুকিয়ে গড়ে উঠা ভালোবাসা কিভাবে এবং কবে একে অপরের কাছে প্রকাশ করেছে? প্রকাশ করার পর কি সত্যি তাদের মধ্যে প্রণয়ন ঘটেছিলো? প্রণয়ন থেকে কিভাবে পরিণয়ে রুপ নিয়েছে সেই সব ঘটনা নিয়েই রচিত " বিহান-দিয়ার বৃষ্টিবিলাস" ই-বুক টি। আলোচনাঃ কাজিন রিলেটেড এই গল্পে ভেবেছিলাম প্রেমের সম্পর্কের দৃশ্য নিয়েই রচিত। তবে না বইয়ের একটা অংশে তিক্ত কিছু সত্যি কথা আমি পড়েছি। আমাদের সমাজে এমন অনেক মানুষ রয়েছে যারা সামান্য কারণেও না জেনেই কুরুচিপূর্ণ কথা বলতে কিছু মনে করে না। তাদের মূল ঘটনা জানার প্রয়োজন হয় না। তারা শুধু অন্যকে বলতে পারলেই শান্তি পায়। সম্পুর্ণ বই সম্পর্কে পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ কাজিন রিলেটেড এই গল্পটি বলতে গেলে ভালোই লেগেছে। দিয়ার মতো আমারও বৃষ্টি পছন্দ হলেও বৃষ্টিতে ভেজা নিষেধ আমার। সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে বিহারের করা কাজগুলোর জন্য। ক'জন মানুষ পারে তার প্রেয়সীর মন বুঝতে। বাস্তব জীবনে ভালোবাসা এমন হয় কিনা জানা নেই। কখনো দেখিনি। তবে বইয়ের পাতায় বিহান চরিত্র টা সত্যি মুগ্ধ করেছে। দুজনের পরিবারের মধ্যে সম্পর্কের মেলবন্ধন টা দারুণ লেগেছে। এমন হয় না। অনেক সময় দেখা যায় ভাইজিদের প্রতি ফুফুর তেমন টান থাকে না। তবে এখানে আলাদা কিছু দেখে সত্যি ভালো লেগেছে। সমালোচনাঃ শেষে এসে মনে হলো খুব বেশি তাড়াহুড়ো করেই শেষ করা হয়েছে। আমার মনে হয় শেষে আরো কিছু টা বাড়িয়ে লিখলে আরো সুন্দর হতো। আমাদের সবার উচিত শব্দের ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা। আমি মানি সাহিত্যের জন্য হয়তো ওই শব্দ গুলো ব্যবহার করা হয়। তবে আমার মনে হয় কারোর গুন বা সৌন্দর্যকে মূল্যায়ণ করার জন্য ওইসব শব্দের ব্যবহার না করে ওর সমার্থক শব্দ ব্যবহার করেও যে কোনো মানুষের গুণ না সৌন্দর্যের মূল্যায়ণ করা যায়। যেমনঃ লক্ষী বা দেবী শব্দের পরিবর্তে মিষ্টি, ভালো কিংবা সোনা মেয়ে এইসব শব্দ ব্যবহার করেও কারোর গুন বা সৌন্দর্যের মূল্যায়ণ করা যায়। চরিত্রের নামঃ দিয়া, বিহান, রিয়া, তিশা, মেহু, সানজিদা বেগম, আয়রা, আবির, বিভোর, সাইমন ইত্যাদি। চরিত্র উপস্থাপনঃ চরিত্র গুলোর উপস্থাপন মোটামুটি ভালোই ছিলো। তবে কয়েক জায়গায় চরিত্রের নাম উল্লেখে বুল নাম টাইপ করা হয়েছে। সংলাপ অনুযায়ী যে নাম হবার কথা সে নামের জায়গায় টাইপিং মিস্টেক হয়ে অন্য না হয়ে গেছে। অন্যান্য বিষয়ঃ প্রকাশনী: বইটই প্রকাশনীকে অসংখ্য ধন্যবাদ। তারা যদি এই এপ্স টায় বই প্রকাশ না করতো অনেকেরই হয়তো অধিক দাম দিয়ে বই পড়া হতো না। তাদের এই উদ্যোগকে জানাই সাধুবাদ। বানান: বইটিতে অনেক জায়গায় টাইপিং মিস্টেক চোখে পড়েছে। সাথে লেখার মধ্যে বিরামচিহ্ন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভুলও ছিলো অনেক। বিশেষ করে বিরামচিহ্ন ব্যবহার করার পরে স্পেস দেওয়ার ক্ষেত্রে বেশি ভুল দেখা গিয়েছে। গল্প লেখার পর প্রুফরিড করা হলে এই সমস্যার সমাধান সহজে হবে বলেই মনে হয়। বই থেকে নেওয়া কিছু লাইনঃ ১. এতোদিন দাঁত ফেলেছেন এখন মাড়ির পেছনে লেগেছেন। দুইদিন পর আমার মাথার পেছনে লাগনবেন। না জানি কবে আমাকে ন্যাড়া করে ছেড়ে দেন। ২. "এই বিরক্তিকর মহা জঘন্যলোক আবার একজনের সামনে না আসলে সে উতলা হয়ে যায়। সেও কি আমরা বুঝিনা।" ৩. "বছরের প্রথম কদমের শুভেচ্ছা শ্যামাপাখি।" ৪. " কিছু জিনিস খুব সহজে বুঝে গেলে আগ্রহ থাকে না দিয়া। কিছু জিনিসের জন্য অপেক্ষা উত্তম। " বই পরিচিতিঃ বইয়ের নাম: বিহান-দিয়ার বৃষ্টিবিলাস লেখিকা: মৌসুমি আক্তার মৌ [বিঃদ্রঃ কারোর ধর্মকে আঘাত করার জন্য কোনো কিছু বলা হয়নি। আমাদের ধর্মের জন্য ঠিক না বলেই কথাগুলো বলা। ভুলত্রুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন]
বিহান দিয়া নিয়ে যতই পড়ি ততই কম লাগে আরো তাদের নিয়ে পড়তে মন চাচ্ছিল কিন্তু সব চাওয়া তো পূরণ হয় না তবুও লেখিকা আপির কাছে অনুরোধ রইলো তাদের নিয়ে আবার নিয়ে এসেন আমাদের মাঝে প্লিজ....
Just awesome
বিহান দিয়া পছন্দের জুটি।অসাধারণ হয়েছে
😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍