

জয়ীতার ঘুমটা ভেঙে গেল। হাত বাড়িয়ে মোবাইল খুঁজে সময়টা দেখলো। সাতটা বেজে ছয় মিনিট। এত জলদি ওঠার অভ্যাস ওর নেই। বেডের পাশের জানালাটা খোলা। সেই আলো চোখে লেগেই ঘুম ভেঙেছে। বিরক্ত হয়ে পাশ ফিরতেই মিষ্টি গন্ধ পেল। কী সুন্দর! চোখ খুলে তাকিয়ে দেখলো ধুমায়িত চায়ের কাপ। জয়ীতা উঠে বসলো। কাপ হাতে নিয়ে নাকের কাছে এনে ঘ্রাণ নিলো। মশলা দেওয়া চা। দারুচিনি, এলাচি, তেজপাতার মাতালকরা ঘ্রাণ। বাসি মুখেই চায়ে চুমুক দিলো। এরপর হাত বাড়িয়ে জানালার কাঁচ খুলে দিলো। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে। ঝিরিঝিরি বৃষ্টি না, টাপুরটুপুর বৃষ্টি। জয়ীতা হাত বাড়ালো। হাত ছুঁয়ে গেল কয়েক ফোঁটা বৃষ্টি। বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা আদনান মুগ্ধ চোখে দেখলো। এমন সুন্দর বৃষ্টি এর আগে ওর জীবনে আসেনি।
"জয়ীতা, অল্প বয়সেই ভালোবেসে যে পেয়েছিল অপমান। আদনান, ভালোবাসা যাকে ধোঁকা দিয়েছিল। দুইজন মানুষ যখন ভালোবাসা নামক শব্দটাকে ঘিরে ভীষণ ভাবে আহত তখনই তাদের দেখা হওয়া। পুরো গল্পটা অনেকটা নদীর শান্ত জলের মতো এগিয়ে গিয়েছে। বাড়তি কিছুই নেই তবে যা আছে সবই এই গল্পের সাথে একদম মানানসই। খুবই মজার মানুষ এই গল্পের জুলিনা মামী। তার হাত ধরেই গল্পে অনেক কিছু ঘটতে থাকে। নওশিন আর তাসিন এই গল্পের খুবই মিষ্টি দুইটা চরিত্র। পুরো গল্পটা পড়ার সময় আদনান, জয়িতা এবং জুলিনা মামীর সাথে ভীষণ ভালো সময় কাটবে। গল্পটার শেষ টুইস্ট পড়ে মনটা খুবই ফুরফুরে হয়ে যাবে।"
চমৎকার গল্প ছিল।
Read all reviews on the Boitoi app
এত সুন্দর একটা গল্প, পড়ে মনটাই ভালো হয়ে গেল।
মন ভালো করার ওষুধ। আদনান আর জয়ীকে নিয়ে আরেকটা ইবুক লিখার আবেদন জানাচ্ছি নিপা আপুর কাছে। ছোট করে হলেও লিখবেন প্লিজ আপু। আর কারা কারা জয়ী আর আদনানকে পড়তে চান? জানাবেন সবাই
এত চমৎকার গল্প।এক নিঃশ্বাস পড়ার মত বই।এন্ডিং টা দারুন।জুলিনা আন্টির ক্যারেক্টার টা এত মজার।একদম ভিন্ন ধর্মী একটা গল্প
জয়ীতা, অল্প বয়সেই ভালোবেসে যে পেয়েছিল অপমান। আদনান, ভালোবাসা যাকে ধোঁকা দিয়েছিল। দুইজন মানুষ যখন ভালোবাসা নামক শব্দটাকে ঘিরে ভীষণ ভাবে আহত তখনই তাদের দেখা হওয়া। পুরো গল্পটা অনেকটা নদীর শান্ত জলের মতো এগিয়ে গিয়েছে। বাড়তি কিছুই নেই তবে যা আছে সবই এই গল্পের সাথে একদম মানানসই। খুবই মজার মানুষ এই গল্পের জুলিনা মামী। তার হাত ধরেই গল্পে অনেক কিছু ঘটতে থাকে। নওশিন আর তাসিন এই গল্পের খুবই মিষ্টি দুইটা চরিত্র। পুরো গল্পটা পড়ার সময় আদনান, জয়িতা এবং জুলিনা মামীর সাথে ভীষণ ভালো সময় কাটবে। গল্পটার শেষ টুইস্ট পড়ে মনটা খুবই ফুরফুরে হয়ে যাবে।
আমাকে যদি কেউ প্রশ্ন করে, " কার লেখা পড়ে শান্তি পাও?" উত্তরে আমি নিপা আপুর কথা বলবো। আপুর হাতের জাদুর প্রশংসা যতো বলব ততোই কম হবে। আপুর লেখা পড়ার সময় মনে হয়, আপুকে সামনে বসিয়ে দেখাতে। আপুর লেখা পড়ার সময়কাল আমার উচ্ছাস, আনন্দ বিরহ সব। গল্পের রিভিউ দিবো কয়েক বাক্যে, আদনান ও জয়ীতার সাধারণ জীবনের অসাধারণ লেখাগুলো পড়ে মোহিত হয়েছি। ননদ ভাবীর মধ্যকার ভালোবাসা দেখে মুগ্ধ হয়েছি। কয়েক ফোঁটা বৃষ্টিতে গল্পের সবচেয়ে পছন্দের চরিত্র জুলিনা। এতো হেসেছি। ছেলেকে নিয়েও হেসেছি। সর্বশেষ বলবো, আমি দ্বিতীয়বারের মতো কোনো গল্পের পাগল হয়েছি। কতোবার পড়বো হিসাব নাই। লেখিকা আপুকে ধন্যবাদ এতো সুন্দর গল্প উপহার দেওয়ার জন্য। ভালোবাসি আপু।
এতদিন চেয়েও ইবুকটা পড়া হয়ে ওঠে নি। আজ বিকেলে কি মনে করেই যেন শুরু করলাম। পড়তে পড়তে এত রাত হয়ে গেল খেয়ালই নেই। এই গল্পের প্রতিটি চরিত্র এত প্রাণবন্ত। মানুষের জীবনে কিছু কিছু ঘটনা এতটা তীব্রভাবে আঘাত করে যে জীবনের উচ্ছ্বাসই হারিয়ে যায়। মনে তীব্র ব্যথা নিয়েও মুখে হাসি নিয়ে জীবন পার করতে হয়। জয়ীতা আর আদনানের ক্ষেত্রেও অনেকটা সেরকম হয়েছে। দুজনই কম বয়সে ভুল মানুষদেরকে মন দিয়ে আঘাত পেয়েছে। যদিও এই আঘাতটা ওদের আরও শক্তভাবে আরও দৃঢ়ভাবে গড়ে উঠতে সাহায্য করেছে তবুও কিছু কিছু তিক্ততা কখনও ভুলে যাওয়া যায় না। প্রতারণার কষ্ট, অন্যের করা কটুক্তি সবকিছুই অন্তরে বিঁধে থাকে আজীবন। তবে বিশেষ ধন্যবাদ জুলিনা মামীকে। উনাকে পড়ার সময় এত হেসেছি। ওনার চরিত্রটা দারুণ ছিল। এরকম পরোপকারী মানুষ আজকালকার দিনে বিরল। উনি নিজের স্বামীর ভাগ্না-ভাগ্নির জন্য যা করেছেন তা অনেক রক্তের সম্পর্কের মানুষও করে না! আদনানের জন্য জয়ীকে পছন্দ করে ওদের যেমন এক করেছেন তেমনি তাসিন-নওশীনের ভালো থাকাটাকেও নিশ্চিত করেছেন। জুলিনা মামী আর জয়ীতার বন্ডিংটা এত সুন্দর ছিল! আত্মার সম্পর্ক মাঝে মাঝে রক্তের সম্পর্ককে হার মানায়। ওনার আর জয়ীর সম্পর্কটাও তেমন! দুজনই দুজনকে কত সুন্দর বোঝে! পুরোনো স্মৃতি আঁকড়ে ধরা জয়ীতার ভবিষ্যৎ কিভাবে সুন্দর করে দিল আবার জয়ীতাও ওনার হাসি-ঠাট্টার আড়ালে থাকা কষ্টগুলোকে বুঝে নিয়ে ওনার জীবনটাও গুছিয়ে দিল। আদনান-জয়ীতাকে নিয়ে আর কি বলব! আদনান সবটা জেনে জয়ীতাকে সাপোর্ট করেছে,ওর পাশে থেকেছে, অতীত এড়িয়ে না গিয়ে বরং হাসিমুখে কনফিডেন্টের সাথে অতীতকে ফেস করার যেভাবে সাহস যুগিয়েছে বিষয়টা চমৎকার লেগেছে আমার। এরকম আন্ডারস্ট্যান্ডিং পার্টনার জীবনে থাকলে আর কি লাগে! কিছু বলার আগেই ও জয়ীতাকে পড়ে ফেলতে পারে অনায়াসে। জয়ীতার সাইমুন আর ওর কাজিনমহলকে শিক্ষা দেওয়ার পদ্ধতিটাও ইউনিক ছিল। একদম মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে একেকজনের। এত শান্তি লাগছিল। কিছু কিছু মানুষ আছে অন্যদের খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করে শান্তি পায়। ওদের মুখোশ জনসম্মুখেই উন্মুক্ত হওয়া উচিত! আর গল্পের আরেকটা সুন্দর দিক ছিল জয়ীতার সাথে তাসিন-নওশীনের সম্পর্কটা! সবমিলিয়ে দারুণ ছিল ইবুকটা। মাস্ট রেকমেন্ডেড🤍
একটা মন ভালো করে দেওয়ার মতো গল্প এই নিয়ে তৃতীয়বার পড়লাম। কিছু বই আছে যেগুলো পড়লে মন ভালো হয়ে যায় এবং মাঝেমাঝে পড়া যায় কিন্তু বিরক্তি আসে না "কয়েক ফোঁটা বৃষ্টিতে" ঠিক তেমনই একটা গল্প। জয়িতা নামের পাগলাটে মেয়েটাকে যে কি ভীষণ ভালো লাগে আর সবচেয়ে পছন্দের চরিত্র জুলিনা আন্টি। অতিরঞ্জিত কিছু নেই কিন্তু অসাধারণ একটা গল্প। জুলিনা-জয়িতা পার্ফেক্ট কম্বিনেশন বলতে গেলে। লেখিকার লেখনী মাশাআল্লাহ এতো গোছানো এবং পরিচ্ছন্ন যে পড়তে গেলে আরাম লাগে। লেখিকার সবগুলো ই-বুক, গল্প এবং প্রায় সবগুলো বই পড়েছি ভীষণ ভালো লাগে পড়তে। এমন আরও চমৎকার কিছু গল্পের জন্য অপেক্ষায় রইলাম। সাবিকুন নাহার নিপা আপু আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য শুকরিয়া এতো চমৎকার একটা গল্প আমাদের উপহার দেওয়ার জন্য।
Excellent. A memorable journey from the very beginning. A real blend of humour and romance ✌️
ইসস্, এত্ত মিষ্টি একটা গল্প🥰🥰