

গ্রামের এক ডানপিটে-চঞ্চল কিশোরী আর শহুরে ছেলের প্রেমের গল্প এটি। বাপের গোঁয়ার্তুমির কারণে চিরকাল শহরে বেড়ে উঠা কাননকে এক অজপাড়া গাঁয়ে গিয়ে থাকতে হয়। যা সে কিছুতেই মেনে নিতে চায় না। কিন্তু বাপের উপর কথা বলবার জো নেই। এই গ্রামেরই এক কিশোরী মেয়ের সঙ্গে হঠাৎ পরিচয় হয় তার। ঠিক পরিচয় নয়, ওদের মধ্যে হয় আসলে ঝগড়া। তুমূল ঝগড়া চলে দু'জনার। সেই ঝগড়া থেকেই প্রেম, অনুভূতির শুরু। কিন্তু কেউ কাউকে বলতে পারে না। গল্প এগোয় নিজের মত করে। একসময় বাপের সাথে রাগ করে শহরে ফিরে আসে কানন। ঠিক করে আর কখনো গ্রামে ফিরবে না। কিন্তু তখনই সে কুঞ্জের কথা ভাবে। কুঞ্জলতা নামক বুনোফুল তাকে মাতাল করে তোলে। কিন্তু সে তখনো জানে না কুঞ্জের জীবনে কি বিপর্যয় নেমে এসেছে। কি নিষ্ঠুর বাস্তবতার সাথে লড়াই করছে কুঞ্জ। আচ্ছা, কানন তখন কি করবে? গ্রামে ফিরে যাবে? গ্রামে ফিরে কি সে তার কুঞ্জলতাকে ফিরে পাবে? নাকি হারিয়ে যাবে তার বুনোফুল? বিলীন হবে সেই বুনোফুলের সুবাস?

"এই গল্পটা কার কেমন লেগেছে জানিনা, তবে আমার খুব ভালো লেগেছে। লেখিকা খুব সুন্দর করে গল্পের মাঝে আমাদের সমাজের বাস্তবতাকে তুলে ধরেছেন! আসলে সবাই সুযোগ-সন্ধানী। কারো কোনো দোষ-ত্রুটি খুঁজে পেলে সমাজে তা রটিয়ে দেওয়াটাই যেন তাদের আসল কাজ। কোন অপরাধ সংঘটিত হলে আমাদের সমাজ অপরাধীকে নয় বরং অপরাধের শিকার হওয়া নারীকে দোষী বানায়। এটা খুবই কষ্টের! এই গল্পটা পরার সময় আমার বার বার মনে হচ্ছিল, “কুঞ্জলতার যায়গায় আমিও থাকতে পারতাম! তখন নারীর অধিকার নিয়ে লড়াই করা সমাজ আমাকেই দোষীর কাতারে ফেলতো!” কি আর করার— আমাদের সমাজ কখনোই বদলাবে না। তবে আশা করছি এই গল্পটা পরে যদি সমাজের মানুষের বোধশক্তি জাগ্রত হয়, কোনো অসহায় মেয়েকে একা পেয়ে যদি তার সুযোগ না নেয়, তাহলে এটাই হবে এই গল্পের সার্থকতা! ভালোবাসা নিও আপু,🧡"
কানন ার কুন্জলতার গল্প❣️
Read all reviews on the Boitoi app
এই গল্পটা কার কেমন লেগেছে জানিনা, তবে আমার খুব ভালো লেগেছে। লেখিকা খুব সুন্দর করে গল্পের মাঝে আমাদের সমাজের বাস্তবতাকে তুলে ধরেছেন! আসলে সবাই সুযোগ-সন্ধানী। কারো কোনো দোষ-ত্রুটি খুঁজে পেলে সমাজে তা রটিয়ে দেওয়াটাই যেন তাদের আসল কাজ। কোন অপরাধ সংঘটিত হলে আমাদের সমাজ অপরাধীকে নয় বরং অপরাধের শিকার হওয়া নারীকে দোষী বানায়। এটা খুবই কষ্টের! এই গল্পটা পরার সময় আমার বার বার মনে হচ্ছিল, “কুঞ্জলতার যায়গায় আমিও থাকতে পারতাম! তখন নারীর অধিকার নিয়ে লড়াই করা সমাজ আমাকেই দোষীর কাতারে ফেলতো!” কি আর করার— আমাদের সমাজ কখনোই বদলাবে না। তবে আশা করছি এই গল্পটা পরে যদি সমাজের মানুষের বোধশক্তি জাগ্রত হয়, কোনো অসহায় মেয়েকে একা পেয়ে যদি তার সুযোগ না নেয়, তাহলে এটাই হবে এই গল্পের সার্থকতা! ভালোবাসা নিও আপু,🧡
নাম আর প্রচ্ছদ দেখেই ভিষণ আগ্রহ জন্মেছিলো বইটির প্রতি। বেশ অনেকদিন আগে কিনে রেখেছিলাম। পড়ি পড়ি করেও পড়া হয়ে ওঠে নি। হঠাৎ বইটা পড়তে শুরু করলাম। প্রথম কয়েক পাতা পড়েই আটকে গেলাম গল্পটার মাঝে। ঘটনাটা যেমন খুব অসাধারণ কিছু নয় তেমনি খুব যে সাধারণ তেমনও কিন্তু নয়। লেখক খুব সুনিপুণ ভাবে সমাজের কঠিন বাস্তবতার গল্প তুলে ধরেছেন। সাথেই তুলে ধরেছেন স্বচ্ছ, নির্মল, দৃঢ় একটা ভালোবাসার গল্প। আমার সবচেয়ে যেই বিষয়টা ভালো লেগেছে সেটা হচ্ছে লেখক খুব সাদামাটা অথচ সুনিপুণ ভাবে চিত্রায়িত করেছেন পুরো গল্পটা। মোট কথা তার সহজ সাবলিল লেখনী মুগ্ধ করবে সবাইকে।
সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বাদের ভালবাসার গল্প "বুনো ফুলের সুবাসে",,,,শহুরে ছেলের গ্ৰাম্য পরিবেশে অস্বস্তি,গ্ৰাম্য চঞ্চল কিশোরীর প্রতি ভিন্ন রকম ভালবাসার আমেজ ___পরিশেষে সকল বাঁধা পেরিয়ে,বাবা_মা কে মানিয়ে ধর্ষিতা প্রেয়সী কে নিজের করে নেবার যুদ্ধ জয়ী কানন সত্যিই অসাধারণ প্রেমিক পুরুষ,,,,সাথে সাথে বুনোফুলের গন্ধ শোভিত কুঞ্জলতা ও তার স্বীয় মহিমায় ছিলেন উজ্জ্বল,,,,, সত্যিই আমাদের সমাজ ব্যবস্থা এখনো নিপীড়িতের পাশে না থেকে নিপীড়ন কারীকেই প্রশ্রয় দেয় যা নিতান্তই ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ _____ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল ভালোবাসা,ভালবেসে আগলে রাখুক প্রিয়জন কে,,,, আপনার উত্তোরত্তোর সাফল্য কামনায় 💖💖💖
সাধারণের মাঝে অসাধারণ! ❤️ খুবই সুন্দর ছিল আর দ্রুতই শেষ হয়ে গেলো আরো বড় হতে পারতো। কাকন কুঞ্জ-কানন সবার ভবিষ্যৎ পড়ার অদম্য ইচ্ছা লেখিকা ফুস করে দিলো 💔💔