

তনয়া মুখ ঘুরিয়ে সবাইকে চা দিয়ে নিজেও চা নিয়ে বসে। নিদ্র ওকে দেখতে দেখতে হঠাৎ চায়ের কাপে ফুঁ না দিয়েই চুমুক দিয়ে বসে। ফলশ্রুতিতে ঠোঁটে ছ্যাঁকা খেয়ে 'উুঁহ' করে ওঠলে তনয়া দ্রুত নিজের চায়ের কাপটা রেখে উতলা হয়ে শুধায়, "কী হয়েছে? কী হয়েছে?" নিদ্র জিভ দিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে চোখ বুজে ঘাড় নাড়ে। মিসেস নাহিদা সুলতানা বললেন, "গরম চা টা একটু ফুঁ দিয়ে খাবি না! হুট করে মুখে দিলে হয়?" নিদ্র কিছু বলে না। এরপর মাথা নিচু করে আস্তে আস্তে ফুঁ দিয়ে চা পান করতে থাকে। তনয়া আড়নয়নে নিদ্রকে একবার দেখে। হুট করে খেয়াল হলো সে নিদ্রকে একটু বেশি খেয়াল করছে। তৎক্ষণাৎ ভড়কে গেল। নিদ্র যা খুশি করুক তাতে সে কেন আমলে নিবে! এরপর যতক্ষণ বসে ছিল একটাবারও নিদ্রর দিকে চোখ তুলে তাকায়নি।
তনয়া ও নিদ্রর প্রণয় উপাখ্যান পড়তে গিয়ে আমার তিতির ও মাশরিফ ইকবালকে মনে পড়ে গেল। যদিওবা তাদের পরিস্থিতি ভিন্ন কিন্তু নিদ্র আর মাশরিফের পেশার কারণে আমার মনে পড়াটা উল্লেখযোগ্য। সহজ, সাবলিল দুই নর নারীর অনুভূতির শুভ পরিণয়। নিদ্রর বাবা মায়ের চরিত্র ভীষণ মন কেড়েছে। সুন্দর, মনোমুগ্ধকর 💙
Read all reviews on the Boitoi app
#গল্পরিভিউ #গল্পঃহৃদ্প্রাঙ্গণে_নীল_সিন্ধু #লেখিকাঃনুরুন্নাহার_তিথি #রিভিউদাতাঃসোহেব-চৌধুরী ⚜️গল্পটা অমায়িক ছিল!গল্পে ব্যবহৃত প্রত্যেকটা শব্দ মনমুগ্ধকর ছিল, হৃদয়স্পর্শী ছিল। এত সুন্দর করে কেউ কিভাবে লিখতে পারে!! গল্পের প্রতিটা চরিত্র একটা থেকে একটা বেশি সুন্দর ছিল মুগ্ধ হয়েছি বারবার। নিদ্র চরিত্রে তো আলাদা ভালোলাগা কাজ করছে। বাবা ছেলের মা ছেলের সম্পর্ক গুলো অদ্ভুত রকমের সুন্দর ছিল।তনয়ার কথা আর কি বলবো ভীষণ সুন্দর একটা চরিত্র। এদের সম্পর্কের আন্তরিকতায় অভিভূত হয়েছি বার বার! চমৎকার আপনি, আপনার চিন্তাভাবনা আপনার লিখনশৈলী!!🥰❤️🌸 ⚜️কিছু পছন্দের লাইন ★সব সময়, সময়ের আগে সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হয় না। কিছু প্রশ্ন সময়ের জন্য তোলা রাখতে হয়। ~নিদ্র ★ভালোবাসি। ভালোবাসি এই নীল সিন্ধু পরিমাণ। আমার হৃদপ্রাঙ্গনের নীল সিন্ধুতে আপনি অমরত্ব লাভ করেছেন। ~তনয়া ⚜️পার্সোনাল রেটিংঃ৯/১০
চমৎকার হয়েছে গল্পটা ❤️🩹❤️🩹✌️😍 মন মাতানো বাক্য চয়ন আর এতো সুন্দর কাহিনি যা বলে বোঝানো যাবেনা 😍 গল্পের ধারাবাহিকতা সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা সব মিলিয়ে মনকাড়া লেখনী 😍❤️🩹 ধন্যবাদ লেখিকা আপুকে এতো সুন্দর একটা গল্প উপহার দেওয়ার জন্য ❤️🩹
বই টা আমার ভীষণ ভালো লেগেছে।বরাবরের মতো এই লেখা টা ও বেস্ট। আপুর লেখা সাবলীল।সব অনুভূতিই প্রকাশ করবে সাবলীল ভাষায়। তেমনি এই বই টা ও সুন্দর সাবলীল ভাষায় লেখা।শব্দ চয়ন ও খুব সুন্দর।আশা করি সবার ভালো লাগবে। আমার তো বেস্ট লেগছে। তনয়ার ব্যাক্তিত্ব ভীষণ সুন্দর! আর নিদ্রর কথা কি বলব! বেস্ট একটা চরিত্র। সম্পূর্ণ গল্প টাই বেস্ট। আমাদের এতো সুন্দর একটা গল্প উপহার দেওয়ার জন্য তোমায় অসংখ্য ভালোবাসা আপু।এভাবেই এগিয়ে যাও।আমরা আছি, থাকবো।💜
বইয়ের নাম: হৃদপ্রাঙ্গনে নীল সিন্ধু লেখকের নাম: নুরুন্নাহার তিথী রিভিউ: 🖋️সারকথা: একটি মেয়ের বেঁচে থাকার লড়াই সেই সাথে মিষ্টি একটা পরিবারের গল্প। সবরকম অনুকূল পরিবেশ থেকে নিজেকে মুক্ত করে কিভাবে নিজেকে সামনে এগিয়ে নিয়েছে সেই সকল দৃশ্য নিয়েই রচিত "হৃদপ্রাঙ্গনে নীল সিন্ধু" 🖋️পাঠক প্রতিক্রিয়া: ই-বুক টি আজই সংগ্রহ করি। সংগ্রহ করার সাথে সাথে ইচ্ছে জাগে পড়ার। মাথায় ঘুরত থাকে কখন পড়ব? সব বাদ দিয়ে সন্ধ্যার দিকে পড়া শুরু করি। এক বসাতেই পড়া শেষ করি। পড়া শুরু করার পর ইচ্ছে হচ্ছিলো না রেখে উঠি। আমি সাধারণ যেকোনো বই একটু সময় নিয়ে পড়ি। তবে এই বইটা পড়া শুরু করার পর শুধু আগ্রহ বাড়ছিলো সামনে কি হয় জানার জন্য। তবে সবশেষে শেষ দৃশ্য বেশি মন কেড়ে নিয়েছে। বইয়ের শেষ সুন্দর হলেই ভালো লাগে। তবে এই বই পড়ার পর নিজের মন থেকেই চাইছিলো শেষ টা সুন্দর হোক। শেষ টা তিক্ত না হোক। সবশেষে বলব বইটি পড়ে দেখতে পারেন। একটা মিষ্টি গল্পের সাথে দেখা হয়ে ভালোই লাগবে আশা করি। 🖋️চরিত্রের নাম: তনয়া, মেহরাজ ইসলাম নিদ্র, রাফসান, জয়দেব, ফারদিন, জেরিন ইত্যাদি। 🖋️চরিত্র উপস্থাপন: একটা বইয়ে অনেক চরিত্র থাকে। আর সবগুলো চরিত্রের উপস্থাপন সুন্দর ভাবে ফুটে না উঠলে বই পড়তে ভালো লাগে না। কিন্তু এই বইটিতে প্রতিটি চরিত্রের উপস্থাপন সুন্দর ভাবে ফুটে উঠেছে। 🖋️পছন্দের কিছু লাইন: ১. আর্মি আমি নাকি সে! ২. "এই গোধূলির আলোয় নীল সিন্ধু সাক্ষী, আমার হৃদপ্রাঙ্গনে আপনারই বিচরণ!" ৩. আমার হৃদপ্রাঙ্গনের নীল সিন্ধুতে আপনি অমরত্ব লাভ করেছেন!" বইটি পড়তে চাইলে ভিজিট করুন: বইয়ের নাম: হৃদপ্রাঙ্গনে নীল সিন্ধু লেখকের নাম: নুরুন্নাহার তিথী রিভিউ: 🖋️সারকথা: একটি মেয়ের বেঁচে থাকার লড়াই সেই সাথে মিষ্টি একটা পরিবারের গল্প। সবরকম অনুকূল পরিবেশ থেকে নিজেকে মুক্ত করে কিভাবে নিজেকে সামনে এগিয়ে নিয়েছে সেই সকল দৃশ্য নিয়েই রচিত "হৃদপ্রাঙ্গনে নীল সিন্ধু" 🖋️পাঠক প্রতিক্রিয়া: ই-বুক টি আজই সংগ্রহ করি। সংগ্রহ করার সাথে সাথে ইচ্ছে জাগে পড়ার। মাথায় ঘুরত থাকে কখন পড়ব? সব বাদ দিয়ে সন্ধ্যার দিকে পড়া শুরু করি। এক বসাতেই পড়া শেষ করি। পড়া শুরু করার পর ইচ্ছে হচ্ছিলো না রেখে উঠি। আমি সাধারণ যেকোনো বই একটু সময় নিয়ে পড়ি। তবে এই বইটা পড়া শুরু করার পর শুধু আগ্রহ বাড়ছিলো সামনে কি হয় জানার জন্য। তবে সবশেষে শেষ দৃশ্য বেশি মন কেড়ে নিয়েছে। বইয়ের শেষ সুন্দর হলেই ভালো লাগে। তবে এই বই পড়ার পর নিজের মন থেকেই চাইছিলো শেষ টা সুন্দর হোক। শেষ টা তিক্ত না হোক। সবশেষে বলব বইটি পড়ে দেখতে পারেন। একটা মিষ্টি গল্পের সাথে দেখা হয়ে ভালোই লাগবে আশা করি। 🖋️চরিত্রের নাম: তনয়া, মেহরাজ ইসলাম নিদ্র, রাফসান, জয়দেব, ফারদিন, জেরিন ইত্যাদি। 🖋️চরিত্র উপস্থাপন: একটা বইয়ে অনেক চরিত্র থাকে। আর সবগুলো চরিত্রের উপস্থাপন সুন্দর ভাবে ফুটে না উঠলে বই পড়তে ভালো লাগে না। কিন্তু এই বইটিতে প্রতিটি চরিত্রের উপস্থাপন সুন্দর ভাবে ফুটে উঠেছে। 🖋️পছন্দের কিছু লাইন: ১. আর্মি আমি নাকি সে! ২. "এই গোধূলির আলোয় নীল সিন্ধু সাক্ষী, আমার হৃদপ্রাঙ্গনে আপনারই বিচরণ!" ৩. আমার হৃদপ্রাঙ্গনের নীল সিন্ধুতে আপনি অমরত্ব লাভ করেছেন!"