

সামান্য যশ খ্যাতি পাওয়া একজন অভিনেতা রায়হান শিকদার। এরই মধ্যে প্রেম করে হঠাৎ বিয়ে। কিন্ত বর্তমানে তিনি দাম্পত্য জীবনে সুখে নেই। স্ত্রী ঝগড়া করে বাপের বাড়িতে চলে গেছে আর রায়হান শিকদার নিজের হতাশা কাটাতে মধ্যরাতে মদের নেশায় দুঃখ বিলাসে ব্যস্ত। বাইরে প্রচন্ড বেগে ঝড়ো হাওয়া আর বৃষ্টি। এমন সময় রায়হান শিকদারের সদর দরজায় ঠক টক শব্দ। ঝাপসা চোখ নিয়ে দরজা খুলে রায়হান শিকদার। বাইরে বৃষ্টিতে ভিজছে রেইনকোট জড়ানো এক আগন্তুক। পরিচয় দেয় সেই আগন্তুক। তার নাম নাকি মিস্টার ঘোস্ট। সে একজন লেখক। তার গল্পের শেষ অংশটুকু সমাপ্ত করতে রায়হান শিকদারের শরণাপন্ন হয়েছে । কিন্ত রায়হান শিকদার কোনো লেখক নয় তাই সে সাহায্য করতে অপারগ। কিন্ত মিস্টার ঘোস্ট জানায় গল্পটা সে রায়হান শিকদারের জীবন নিয়ে লিখছে। তাই রায়হান শিকদার ছাড়া আর কেউ সাহায্য করতে পারবে না। রায়হান শিকদার জানতে চায় কিভাবে সাহায্য করবে? মিস্টার ঘোস্ট জানায় রায়হান শিকদার যেনো তার নিজের স্ত্রীকে খুন করে। এটাই হবে তার গল্পের শেষ দৃশ্য। মিস্টার ঘোস্টের কথায় ভয় পেয়ে যায় রায়হান শিকদার। মিস্টার ঘোস্ট হুমকিও দেয়। যদি রায়হান শিকদার স্বেচ্ছায় খুন না করে তবে সে তাকে বাধ্য করাবে খুন করতে। এমনই এক সাইকো মানবের খপ্পরে পড়ে শেষে কি ঘটে রায়হান শিকদারের সাথে সেটা জানতে হলে তো চোখ রাখতে হবে সেই গল্পের পাতায়।
ভাই আপনার লেখার কোনো তুলোনা হয় না।অনেক অনেক ভালো লাগছে।অনেক অনেক ধন্য বাদ।
Read all reviews on the Boitoi app