

ফ্রান্সের সাথে চুক্তিবদ্ধ দেশগুলো তাদের অর্জিত সব বৈদেশিক মুদ্রা ফ্রেঞ্চ ট্রেজারিতে জমা রাখতে বাধ্য। কিন্তু নিজেদের প্রয়োজনে এর মধ্যে থেকে মাত্র ১৫% বৈদেশিক মুদ্রা তারা উত্তোলন করতে পারবে। যদি কখনো এর বেশি অর্থের প্রয়োজন হয় তাহলে তাদের নিজেদেরই অর্থ ফ্রান্সের কাছে থেকে ঋণ নিতে হয়। আর এর জন্য ফ্রান্সকে সুদ দিতে হয় কমার্শিয়াল রেটে। কিন্তু এই ঋণের পরিমাণ কখনোই ২০% এর বেশি হতে পারবে না। অথচ ফ্রেঞ্চ ট্রেজারিতে তাদের জমা রাখা প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলার ঠিকই প্যারিসের শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করে লভ্যাংস পাচ্ছে ফ্রান্স। এর কোনো হিসাব তারা আফ্রিকার দেশগুলোকে দেয় না।
এই ধরনের ব্ই আমার বেশ পছন্দ। আমার মনে হয়,অনেক শিক্ষনীয় বিষয় আছে এধরনের ব্ইয়ে। লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ ❤️
Read all reviews on the Boitoi app
অসাধারণ
ভালো
আমি প্রথমে ভাবছি,তেমন পড়ে ভালো হবে না ওমা পারে দেখি পড়ে অনেক ভালো লাগলো,আপনি মতামত দেখতে আসেন নিশ্চয়ই তবে যার যে মতামত হোক না কেন আমি আপনাকে সাজেস্ট করতে বলবো এই গল্পটি আপনি পড়েন অনেক ভালো পড়তে অনেক ভালো লাগে কাহিনী গুলো অনেক সুন্দর এক কথায় বলতে গেলে দারুন আপনার কাছে অনেক ভালো লাগবে।
দারুণ
এই বইটি অনেক ভালো পরে অনেক ভালো লাগছে আমার
দারুন
Md HEMEL 🇧🇩🇸🇦❤️🏅
খুবই ভালো লাগলো সত্যটা জানতে পেরে
তথ্য সমৃদ্ধ লেখা।