

আমার মা প্রতিবেশির কাছে প্রায় গল্প শুনান, আমি নাকি বয়সের অনুপাতে বাড়ন্ত। কথাটির মর্মার্থ বুঝার মস্তিস্ক তখন আমার ছিল না। তবে দর্পণে নিজের এপিট-ওপিট দেখার আনন্দগুলো ঘুড়ির মতো উড়াতাম মেঘের ফাঁকে ফাঁকে। হঠাৎ উন্নত হওয়া বুকের উপর হাত রেখে ভাবতাম্ত এই আমার অহংকার। এক হিরণ্ময় বিকেলে আমি নদীর ধারে গিয়েছিলাম। দূর্বার স্রোতের মতো আশ্চর্য একসত্য উপলব্ধি এলো আমার ভেতর। আমার সমস্ত সত্তা জুড়ে যেন বহু অপ্রকাশিত মানুষের অস্থিত্ব; বুঝতে পারলাম এইসব অস্থিত্বকে প্রকাশের মাধ্যমেই আমার বিকাশ। পূর্ণাঙ্গ হবে আমার নারী সত্তা। আমি হবো তখন কবিদের বেঁধে দেয়া নদীর উপমা।