
রাত ১১টা কিংবা তার আশপাশ হবে। সেদিন রাতটা কোনোভাবে পার করার অপেক্ষায় ছিলাম আমরা। সকালে কবিরাজের ঠিকানায় যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। আম্মু আমার রুমে ভাত এনে দিলেন। আমি আর আব্বু ভাত খেতে বসেছিলাম। ঠিক সেই মুহূর্তে পাশের ঘর থেকে সূরা পড়া সেই বৃদ্ধ মহিলার চিৎকার ভেসে আসে। বৃদ্ধা, রোকেয়া বেগম, আব্বু আসার কিছুক্ষণ পর এশার নামাজ পড়তে নিজের ঘরে গিয়েছিলেন। কিন্তু আর ফিরে আসেননি। এখন, রাত ১১টার সময়, হঠাৎ তার চিৎকার শুনে আমরা সবাই ভয়ে স্তব্ধ হয়ে গেলাম। আমার মনে হচ্ছিল, বদ জ্বীন নিশ্চয়ই তার কোনো ক্ষতি করেছে। ভাতের প্লেট ফেলে রেখে আমরা সবাই দৌড়ে গেলাম রোকেয়া বেগমের বাসায়। আমি তখন কোনো কিছু ভাবার সময় পাইনি, শুধু ছুটে চলেছিলাম। এরই মধ্যে অন্য ঘরের প্রতিবেশীরাও সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। রোকেয়া বেগমের ঘরে প্রবেশের আগে আমরা শুনতে পেলাম, যারা আগে ঢুকেছিল তাদের চিৎকার। সবার চিৎকার শুনে আমি কোনো দ্বিধা না করে সবাইকে ঠেলে ভিতরে ঢুকে পড়লাম। যা দেখলাম, তা আমার কল্পনারও বাইরে। শিরদাঁড়া বেয়ে এক ধাক্কায় শীতল কাঁপুনি নেমে এলো। রোকেয়া বেগমের পা বেঁকে পেটের কাছে চলে এসেছে। তার হাতগুলো অস্বাভাবিকভাবে বাঁকা হয়ে ঘাড় ঘুরে আবার সামনে চলে এসেছে। তার চোখ থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়ছে। তাকে পুরো বলের মতো গোল করে মাটিতে ফেলে রাখা হয়েছে। সবচেয়ে ভয়ের বিষয় ছিল, উনি তখনো জীবিত। এত আঘাতের পরেও উনি মরেননি। তার গলা দিয়ে গোঙরানির শব্দ ভেসে আসছিল। আমরা সবাই স্তব্ধ হয়ে তার কষ্ট সহ্য করার দৃশ্য দেখছিলাম, কিন্তু কিছু করতে পারছিলাম না।

""গল্পটি সত্যিই অসাধারণ✨। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আগ্রহ ধরে রেখেছে। লেখকের বর্ণনা ও গল্প বলার ধরন খুবই সুন্দর। ভয়ের পরিবেশ এবং রহস্যের উপস্থাপন এতটাই চমৎকার যে বইটি এক বসাতেই পড়ে শেষ করতে ইচ্ছে করে। হরর গল্পপ্রেমীদের জন্য অবশ্যই পড়ার মতো একটি বই।"✨"
গল্পটা ভালই লেগেছে 👍👍
Read all reviews on the Boitoi app
এই বইটা আমার খুব ভালো লেগেছে
"গল্পটি সত্যিই অসাধারণ✨। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আগ্রহ ধরে রেখেছে। লেখকের বর্ণনা ও গল্প বলার ধরন খুবই সুন্দর। ভয়ের পরিবেশ এবং রহস্যের উপস্থাপন এতটাই চমৎকার যে বইটি এক বসাতেই পড়ে শেষ করতে ইচ্ছে করে। হরর গল্পপ্রেমীদের জন্য অবশ্যই পড়ার মতো একটি বই।"✨
বাস্তব ঘটনা থেকে নেয়া হয়েছিল বলেই হয়তো এতটা জীবন্ত ছিল!!😶🌫️😶🌫️😶🌫️😶🌫️😶🌫️😶🌫️😶🌫️😶🌫️😶🌫️😶🌫️😶🌫️😶🌫️😶🌫️ সত্যি বলতে আমি বাস্তবঘটনা নির্ভর গল্প গুলো পছন্দ করি। আর গল্পটি পাঠ করে মনে হচ্ছিল এটি আসলেই বাস্তব জীবনের। লেখকের বর্ণনা কৌশল খুবই চমৎকার, ভঙ্গিমা অসাধারণ। অভিনন্দন জানাই।
প্রথমে ভেবেছিলাম স্বাভাবিক কোনো গল্প হবে কিন্তু ধীরে ধীরে যখন গল্পের মাঝে প্রবেশ করলাম তখন এক একটা শব্দ, বাক্য যেন গায়ে কাটা দিয়ে উঠছিল।আর পরে কি হবে পড়ার জন্য মন উত্তেজিত হতে শুরু করলো। আমি হোস্টেলে থাকি, গল্প টা পড়া যেদিন শুরু করেছিলাম সেদিন রুমে একাই ছিলাম তিন পর্ব পরে পড়ার সাহস পায়নি, আজ রাত একটা বাজতে চলল, আজোও কেউ পাশে নেই।কি অদ্ভুত এক অনুভূতি হচ্ছে। গল্প টা পড়ে সবকিছু রিয়েল বলেই মনে হচ্ছে। আর মজার ব্যাপার হচ্ছে, " ওইযে সেদিন গল্প টা শুরু করেছিলাম তারপর ভিখারি সহজে তাড়িয়ে দেই না ভয় করে😪🤧
প্রথমে পড়ে নরমাল গল্পের মতোই মনে হচ্ছিল। যেনো এইতো শেষ হয়ে যাবে। কিন্তুু যতো সামনে এগোতে থাকি ততোই মনে হচ্ছে আমি যেনো গল্পের অতল গহব্বরে প্রবেশ করছি। এতো টুইস্ট ছিলো সাথে গা ছমছমে ভাব। লাস্টে রিয়াজের বাবার এমন টুইস্ট শুনে তো আমি শকড। এখনো ঘোর কাটে নি। গল্পটা পড়ার সময় চরিত্র, পরিবেশ সব চোখে ভাসছিলো। যেনো আমি গল্পের মধ্যেই আছি। এক কথায় তৃপ্তিদায়ক ছিলো গল্পটা। আমি আপনার নতুন পাঠক হিসেবে আরো ভৌতিক ও রহস্যজনক গল্প পড়ার জন্য অপেক্ষায় আছি 😊 সামনে এগিয়ে যান। দোয়া রইল আপনার জন্য🌻 আর হ্যাঁ আমার বাড়িও কিন্তুু চাঁদপুরে। আপনি চাঁদপুরের যেই রাস্তাগুলোর কথা বলছেন সবই মোটামুটি চিনি।তবে যে তিন রাস্তার মোড়ের কথা বললেন ওখান দিয়ে প্রায়ই আমি ঢাকা থেকে বাড়ি যাই। গল্পটা পড়ার পর একটু মনে ভয় কাজ করছে। ওখান দিয়ে যাওয়ার পথে এখন যদি কোনো ভিখারি জ্বিনের লগে দেখা হয় তখন কিয়া করুম,,,🙂
বইটির এতই আকর্ষণ যে শেষ না করে শান্তি পাচ্ছিলাম না, এখনো যেন ঘোরের মধ্যে আছি আমি
ভালো লেগেছে, যদিও প্রথম দিকে বেশ ভয় পেয়েছিলাম। আমার ও কিছু প্রশ্ন রয়ে গেছে। ১. রিয়াজের baba'r সাথে যে জ্বীন ছিল, সেটা হামজা কেনো প্রথমে বের করতে পারলেন নাহ্। ওনার জ্বীনরাও কিভাবে বুজতে পারে নাহ্? একটা সাধারণ জ্বীন কিভাবে ভালো কবিরাজ hamza' র এই অবস্থা করতে শুধুমাত্র সর্দারের হাতের ইশারায়। রিয়াজের বাবা ও তো এইসব বিষয় জ্ঞান ছিল, তিনি কোনো কিছুই চেষ্টা করেন নি। অন্তত সামান্য কিছু!
অসাধারণ হয়েছে।ভালো লেগেছে আবার একটু ভয় ও পেয়েছি😀
ভালো লাগলো