

রাতে খাবার শেষ করে ঈশা নিজের ঘরে আসতেই দেখে, নিহনাম আবার মেসেজ করেছে। আর মেসেজ পরে ঈশা জানতে পারে, আগামীকাল বিকেলে সপ্নগলির ক্যাফেতে নিহনাম তার দ্বিতীয় প্রশ্নটা করবে এরপরে আর ঈশাকে বিরক্ত করা বা মেসেজ দেওয়া কোনটায় করবে না। তাই পরের দিন বিকেলে, সপ্নগলির ক্যাফেতে ঈশা আসার অনেক আগেই নিহনাম এসে ঈশার জন্য অপেক্ষা করছে। কিন্তু বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা নামলেও তখনো ঈশা এসে পৌছায় না। এদিকে নিহনাম ভাবছে, “ঈশা কি তাহলে আসবে না আজকে? মেসেজ দিয়ে জিজ্ঞাসা করবো নাকি ফোন দিয়ে? মেসেজ করলে তো রিপ্লে দেয় না আজ বরং ফোন করি তাহলে”। নিহনাম কয়েকবার ফোন করার পরেও ঈশা ফোন না ধরায় নিহনাম এবারি লাস্ট বলে ফোন দিতেই ঈশা ফোন ধরে বলে, “তোমাকে অপেক্ষা করানোর জন্য দুঃখিত! কষ্ট করে আরেকটু অপেক্ষা করো আমার হাতের ব্যান্ডেজটা শেষ হলেই আমি আসছি। আর আজকের পরে কিন্তু আর আমাকে বিরক্ত করবে না”। হাতে ব্যান্ডেজ মানে! কি হয়েছে তোমার? কিছু হয়নি আর হলেও তোমাকে বলবো না। আচ্ছা তুমি চাইলে আমি আজকের পরে আর কোনো ধরনের মেসেজ বা বিরক্ত করবো না। কিন্তু এখন কোথায় আছো সেটা বলো? “গতকাল যে হসপিটাল থেকে বেরোচ্ছিলে সে হসপিটালেই আছি”। ঈশার কথা শেষ হওয়া মাত্ররই নিহনাম ক্যাফে থেকে বেরিয়ে হসপিটালে ঈশার কাছে আসতেই, এক নার্স নিহনামকে দেখে বলে, “ডক্টর আপনি এ সময় এখানে?” তোমার সামনে যে পেশেন্টকে দেখছো তার জন্য। নিহনামের হাতে ঈশার এক্সরের রিপোর্ট দিয়ে নার্স নিহনাম আর ঈশাকে রেখে বাহিরে চলে যায়। তখন ঈশা নিহনামের দিকে তাকিয়ে বলে, “তুমি! আর মানুষ দেখার ডাক্তার?”