

রুহী নামের মেয়েটি দেখতে সুন্দরী পড়াশোনায়ও মেধাবী। কিন্তু ওর বাবা গরীব। সরকারী অফিসের কেরানী। রুহীর ছোটো আরো দুটো ভাই আছে। সংসার চালাতে রুহীর বাবা মায়ের হিমসিম খাবার যোগাড়। এদিকে রুহী সুন্দরী বলে নানা জায়গা থেকে প্রস্তাব আসতে লাগলো। অবশেষে উচ্চবিত্ত পরিবারের ছেলে রাসেলের সাথে রুহীর বিয়ে ঠিক হয়। রাসেল রুহীর থেকে দশ বছরের বড়। রুহী কেবল এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। বাবা মায়ের কাছে অনেক কান্নাকাটি করলো ওকে যেন এখন বিয়ে না দেয়। ও অনার্সে ভর্তি হওয়ার পর যেন বিয়ে দেয়। কিন্তু এতো ভালো পাত্র উনারা হাত ছাড়া করতে চাইলেন না। বরং উনারা রুহীকে বললেন, বড় লোকের বাড়িতে ওর বিয়ে হয়েছে। সুখ এখন ওর হাতের মুঠোয়। আশাভঙ্গের বেদনা নিয়ে রুহী সুখের আশায় শ্বশুর বাড়িতে রওয়ানা হলো। তবে সুখ কি রুহীর জীবনে এসেছিলো নাকি অপমান আর অবহেলার স্রোতে ওর জীবনটা বিপর্যস্ত হয়েছিলো? তবে রুহীর মতো মেয়েরা ভেঙ্গে পড়ে না। এরা জানে জীবন বাধাগ্রস্ত হলে তাকে কখনও থামিয়ে দিতে নেই। বরং আরো দ্বিগুন উদ্দ্যেমে ছুটে চললে জীবন থেকে অনেক ভালো কিছু পাওয়া যায়। রুহীও রাসেলের সাথে ডিভোর্স হওয়ার পর জীবনকে হতাশার সমুদ্রে ডুবিয়ে দেয়নি বরং ওর জীবনে আরো ভালো কিছু অপেক্ষা করছে এই আশায় ছুটে চলেছে। রুহীও ভালোবাসা না পাওয়ার আক্ষেপের অনলে মাঝে মাঝে পুড়ে ছাই হতো। তবে হাল ছেড়ে দেয়নি। অপেক্ষার ফল বড় মিষ্টি হয়।রুহীও শেষ পর্যন্ত প্রণয়ের রঙে নিজেকে রাঙ্গিয়ে ভালো বাসার ঘর বাঁধতে পেরেছিলো। রুহীর জীবনের জার্ণিটা জানতে বইটি পড়ার আমন্ত্রণ রইলো।
গল্পের শেষটা পড়ে মনটা ভালো হয়ে গেলো!
Read all reviews on the Boitoi app
মন ছুয়ে গেলো গল্পটা পড়ে। গল্প টা পড়তে পড়তে মাঝে মাঝে চোখ টা ভিজে উঠেছে। অসাধারণ লিখেছেন।
পেন্সিলে গল্পটি পড়ে এত ভালো লেগেছে যে বইটি সংগ্রহ করে রাখলাম। লেখিকার জন্য শুভকালনা নিরন্তন। ❤️