

দিনের শেষে আগমন ঘটে একটি বিকেলের। সুন্দরম একটি বিকেল আমাদের সবার মনকে প্রফুল্ল করে তোলে। এই সুন্দর বিকেলে চারিদিকে পাখির মেলা বসে, মানুষ বেড়াতে ভালবাসে। তবে বিকেলের শেষ রোদটা মানুষের মনকে ছুঁয়ে যায়। বিকেলের শেষ রোদে আকাশটা দেখতে অপূর্ব লাগে। আর দিনশেষে মানুষ বিকেলের রোদ কে উপভোগ করতে চায় অন্যরকম ভাবে। বিকেল বেলায় এই রোদের সাথে অনেক আনন্দ জড়িয়ে থাকে । মিষ্টি বাতাসের সাথে মিশে থাকে ধূসর অনুভূতিগুলো। বিকেলের এই শেষ রোদটা মানুষের মনকে গলিয়ে নতুন করে ভালোলাগাতে শেখায়, তাই মানুষ উপভোগ করতে চায় এই রোদটুকু। প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে বিকেলের রোদটা হচ্ছে একটি সৌন্দর্যে ভরা সময়। এই রোদের আমেজে মানুষ আড্ডায় মেতে ওঠে প্রিয়জনদের সাথে। মূলত পড়ন্ত বিকেলের শেষ রোদ এসে যখন সন্ধ্যা নামায়, তখন মানুষ তাদের প্রিয় মানুষগুলোকে ভীষণ মিস করে। জীবনের নানা উঠাপড়ায় ও চড়াই উৎরাই উপেক্ষা করে, নানা সমস্যা গুলোকে নিমেষেই দূরে ঠেলে দিনের শেষটাকে সুন্দর করে তুলতে চায়। পারিপার্শ্বিক পরিবেশটাও যেন ঠিক এমন। হাজার কিছুর পরেও মানুষ চায় তার সকল ইচ্ছে-আহ্লাদ চাওয়া-পাওয়া ও সম্পর্কগুলোর শেষটা যেন আলোকময়, সৌন্দর্যময় ও মায়াময় হয়, ঠিক যেমন বিকেলের শেষ রোদটুকুর মতো। ঠিক এমনই ভাবান্তর কিছু কবিতা রয়েছে এই বইটিতে। "পড়ন্ত বিকেলের শেষ রোদটুকু" বইটি কবি শারমিন সুলতানার লেখা অনন্য সৃজন। যা একজন পাঠকের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। সাহিত্যে কাব্যের সবটুকু নির্জাস উঠে এসেছে এই বইটির প্রতিটি কবিতার পঙক্তিতে পঙক্তিতে। অসাধারণ শব্দ ফুল দিয়ে চমৎকার সব কবিতার মালা গেঁথেছেন কবি শারমিন সুলতানা। অনন্য উপস্থাপনায় অনুপম লেখনীতে এক একটি কবিতা সৃষ্টি করেছেন তিনি। প্রেম-প্রকৃতি, দ্রোহ-বিরহ, মান-অভিমান, মানবিকতা সংঘাত, সবকিছুর মিশেলে এবং সমন্বয়ে দারুণ একটি সৃষ্টি এই "পড়ন্ত বিকেলের শেষ রোদটুকু" বইটি।