

এলোকেশিনী ( কাজিন রিলেটেড ) (ইলহাম+ইলমা) পিরিয়ডের রক্তে জামা ভিজে যাওয়ায় বউয়ের রুমে এককোনে দাড়িয়ে আছে ইলমা । চেনা পরিচিত কাউকে খুজেঁও পাচ্ছে না আর এদিকে ইলমা ইলমা বলে ডাকছে ইভান । ইলমা কী করবে ভেবে পায়না । এসব ব্যাপার তো ওকে বলাও যাবেনা, কারন ও যে ফাজিলের ফাজিল, তবে অন্য কাউকে ডেকে দিতে তো বলাই যায় । ইলমার ভাবনার মাঝেই চলে আসে ইভান । এসেই ধপাস করে সোফায় আরামে বসে পায়ের উপর পা তুলে এক হাত উচিয়ে আঙুল উঠিয়ে আমাকে বললো,,,,, ইভান :- কীরে বেডি সবাই গাড়িতে বসে গেছে আর তুই এখানে কী করছিস । তাও বউ যেখানে সাজগোজ করে। না কাউকে বিয়ে করে এখানে থাকার প্লান করছিস,সমস্যা নাই আমাকে বল আমি এক্ষুনি এখানে থাকার ব্যাবস্থা করছি। ইলমা :- ইভাইন্নার বাইচ্ছা....!!!তরেএএএএএএ,,,, ইভান :- আরে থাম তো,আমি ইভান এখানে আমার কোনো বাচ্চা নাই। আর কথায় কথায় কক মুরগীর মতো কক কক করোস কেন। ইলমা :- ভাই আজকে অন্তত মাফ কর । আমি একটা সমস্যায় পড়েছি কাউকে ডেকে দে ভাই । ইরুম আপু কিংবা ইরা আপু,,, ইভান :- তাহলে পা ধরে বল..! ( ইলমাকে কিছু বলতে না দিয়ে ) ইলমা :- অন্য কাউকে ডেকে দিতে বললাম, এতে পা ধরবো কেন তোর,আর তুই আমার ছোট। ভুলে যাস না। ইভান :- রাখতো তোর জ্ঞান । উঠবি নাকি চলে যাবো..? ইলমা :- প্লিজ ভাই আমার,কাউকে ডেকে দে..... ইভান :- ওকে ডেকে দিচ্ছি,তবে পা ধরলি না তো,তবে সমস্যা নাই, এটার শাস্তি আর তোর উপকার একসাথেই করবো। আমি গেলাম এখন,,,কাউকে পাঠিয়ে দিচ্ছি,,,! এই বলে প্রস্থান ঘটলো ইভানের। এদিকে ইভানের শেষের কথায় আগামাথা কিছুই বুঝলো না ইলমা। তবে এটা বুঝছে যে তার ভাই নামে শত্রু নিশ্চয়ই কিছু ঘটাবে। আসুন আমার পরিচয় জানিয়ে দেই। আমি নওরোজ ইলমা । বাবা মায়ের ১ মাত্র মেয়ে। আমরা ২ ভাই-বোন। ইলমা আর ইভান। ইভানের পুরো নাম ইরফান তালুকদার ইভান। আমারা আসলে তালুকদার বংশ । বাবা ইফনান তালুকদার, মা ইরিনা তালুকদার । বাবারা ২ ভাই, আমার বাবা ছোট আর বড় বাবা ইনাফ তালুকদার আর বড় মা ইরিশা তালুকদার । এখানে মজার ব্যাপার হচ্ছে আমার আমার মা-বাবা আর বড় মা-বাবা দুই জময,ভাই-বোন। আমার বাবারা জময হওয়াতে তাদেরকে সেভাবেই বিয়ে দেওয়া হয়,আর সবচেয়ে অবাকের বিষয় হচ্ছে আমাদের বর্তমানে সকলের নাম ❝ই❞ দিয়ে শুরু, তবে আমার নাম ছাড়া। বড় বাবার এক ছেলে এক মেয়ে। ইলহাম তালুকদার ইশান। আর ইজমা তালুকদার ইরুমা। আর বাকী রইলো ইরা আপু, ইরা আপুকে তার জন্মদাত্রী মা নাকি ফেলে রেখে গিয়েছিলো এক পার্কে। আমার মায়ের দীর্ঘ ২ বছর সন্তান না হওয়ায় ৭ মাসের শিশু কে আমার মা তুলে আনেন,তার ১ বছর পরেই আমি আসি। এ নিয়ে অবশ্য কারোর মাথা ব্যাথা নেই। সবাই ইরা আপুকে তালুকদার বাড়ির মেয়েই মনে করে। তবে আপুর নাম ইরারু নাফিস। কোনো এক অজ্ঞার কারনে আপুর নামের সাথে তালুকদার দেওয়া হয়নি। যে কারনটা কিছু মানুষের অজানা,জানে শুধু হাতেগোনা কয়েকজন। আর,,,,, কিছু বলার আগেই চেনা পরিচিত কন্ঠে ভেসে আসলো হুংকার, সাথে সাথে আমি কেপেঁ উঠি। হুংকারের উৎস খুজে বের করার আগেই গালে ঠাস করে একটা চর পড়লো। কিছু বুঝতে না পেরে ছলছল চোখে তাকিয়ে রইলাম সামনের ব্যাক্তির দিকে। অবাক হওয়ার কিছুই নেই এখানে। কারন সামনের অজ্ঞাত ব্যাক্তিটির স্বভাবই এরকম। কিন্তু ওনি এখানে কেনো, আর আমাকেই বা কেনো মারলো?? আমি ঃ মারলে কেনো ভাইয়া? ইলহাম ঃ কতক্ষন থেকে দাঁড়িয়ে আছি তোর কোনো আইডিয়া আছে.??নিজের মতো ফালতু ভাবিস আমাকে?? তোর এই সময়ে আমি কত কাজ করতে পারতাম,ধারনা আছে তোর?? আমিঃ আ,,আম.... ইলহাম ঃ কথার মাঝে কথা আমার পছন্দ না। যে সময় তুই নষ্ট করেছিস, সেই সময়টুকু আমাকে দিতে পারবি? তোর না কী সমস্যা হয়েছে, এসে তো দেখলাম মিটমিট করে হাসছিলি... ইলমা ঃ সরি ভাইয়া,আর হবেনা। এই বলে মাথার স্কার্প খুলে পিন গুলো হাতে নিয়ে লেহেংার উড়না মাথায় দিয়ে স্কার্প্টা কোমরে বেঁধে ছুটে চলে আসলাম নিচে। এসে দেখি বিদায় হচ্ছে। আমাকে দেখে ইরুম আপু এগিয়ে আসলো,,, ইরুন ঃ কিরে ইলমা কই ছিলি? সবাই খুজঁছিলো,,আচ্ছা শোন তোকে ক্লান্ত মনে হচ্ছে । তুই গাড়িতে বোস আমরা আসছি। আপুর কথামতো গাড়িতে গিয়ে বসলাম । বউয়ের গাড়ি বিদায় হতেই কিছুক্ষন পর পাশে কারোর উপস্থিতি টের পেয়ে তাকিয়ে দেখলাম ইলহাম ভাই । রাগে আমার শরীর গরম হয়ে যাচ্ছে, আর এদিকে ওনি ফোন টিপায় ব্যাস্ত । গাড়িতে তাকিয়ে দেখি আমি ইলহাম ভাই আর ড্রাইভার ছাড়া কেউ নেই। বাকীরা গেলো কই?? তাজ্জব বনে গেলাম। কিছুক্ষন পর ইলহাম ভাই ড্রাইভার কে একটা কোথায় থামতে বললেন, তাকিয়ে দেখি ফার্মেসি। এখানে আবার কী করবে? যা মন চায় তা করুক, আমার কী, ডায়ান কোথাকার। এমা,,,,এখন দেখি ড্রাইভার কে অন্য গাড়ি করে যেতে বললো, ব্যাটার মতলব টা কী? বেশি চিন্তা না করে দেখতে লাগলাম কী হচ্ছে। ইলহাম ভাই ফার্মেসি থেকে একটা প্যাকেট আমার সামনে ধরতেই চোখ বেরিয়ে আসার উপক্রম। কিছু বলার আগেই,,,ইলহাম ভাই বললো ইলহাম ভাই ঃ সময় ১০ মিনিট। তাড়াতাড়ি কাক শেষ করে আমাকে বল, বাইরে অপেক্ষা করছি। এই বলে গাড়ির ডোর লাগিয়ে বাইরে বেরিয়ে গেলো। আর আমি তার কর্মকান্ডে অবাকের চরম পর্যায়,,, ...... ।
অনেক সুন্দর হয়ছে কিন্তু পরের পর্ব গুলো কই
Read all reviews on the Boitoi app
❤️
আর কই শুধু এতটুকু
গল্প টা সুন্দর কিন্তু আর পর্ব কোথায়
অনেক সুন্দর গল্পটা অন্যরকম একটা ভালোবাসার গল্প অনেক সুন্দর হয়েছে
অনে সুন্দর ❤️❤️
Amazing story🥰
অসাধারণ ❤️🩹❤️❤️❤️❤️
Onk shundor kintu flashbak er porer kahinita r porte parlam na kno?
খুব সুন্দর একটা গল্প।🌺💜