
ঘোড়া দাঁড় করিয়ে ফেলল শিকারি জিম গ্যারি। ক্লান্ত, হতাশ দৃষ্টি সামনের ছোট ভ্যালিটার ওপর মেলে দিল। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে চোখ টকটকে লাল। হাইড ওয়াগনগুলো পিছনে ফেলে এসেছে সে, পৌঁছতে সময় লাগবে ওগুলোর। ঘোড়া থেকে নামল সে, মাটির ওপরে জেগে থাকা একটা মোটা শেকড়ের ওপর বসে পড়ল সে ধপ করে। ডজ সিটির নামকরা হাইড ট্রেডিং ফার্ম, জ্যাকসন অ্যান্ড সুইটের মহিষ শিকারি সে। সবে বত্রিশে পা দিয়েছে, অথচ এরমধ্যেই অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেছে। কারণ আরকানসর প্রেয়ারি অঞ্চলে এখন আর আগের মত এই প্রাণিটির দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। স্রষ্টার অফুরন্ত দান এই সম্পদ সেখানে একেবারে হঠাৎ করেই শেষ হয়ে গেছে যেন। প্রথম যখন প্রেয়ারির মহিষের পাল জিমের চোখে পড়ে, তখন অজানা এক শিহরণে গায়ে কাঁটা দিয়েছিল। তার মনে আছে, কালো আর ধূসর রঙের পালটার মাথারদিক উত্তরের দিগন্তরেখা ছাড়িয়ে গেছে, অথচ দক্ষিণে কোথায় সেটার লেজ বোঝা যাচ্ছিল না। সেই বিশাল পালটার উত্তরে মিলিয়ে যেতে পুরো এক দিন সময় লেগেছিল।