

পরদিন নুসরাত স্কুলে যাওয়ার সাথে সাথেই প্রেমা দৌড়ে এসে নুসরাতের হাতে একটা কাগজের টুকরো দিয়ে বললো আপু, এটা প্রান্তকে দিও। তখন নুসরাত বললো, এই দাঁড়াও এই দাঁড়াও কিন্তু সে আর দাঁড়ালো না। চোখের পানি মুছতে মুছতে চলে গেলো। হে আল্লাহ, এটাই বুঝি প্রেমের বাঁধন প্রেম মানুষকে এভাবে কাঁদায়? এ কথা বলে নুসরাত ক্লাসে চলে গেল। এদিকে তো প্রান্ত খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। পরদিন প্রাইভেট আসতে না আসতেই প্রান্ত নুসরাতকে বলতে লাগলো কিরে, প্রেমা কিছু বলেছে? না রে, এই নে এটা দিয়ে চোখের পানি মুছতে মুছতে চলে গেলো। আর কিছু বলে নি। ঠিক আছে আমি চললাম। আরে, কোথায় যাস? প্রাইভেট পড়বি না? না, আজ আমার ভালো লাগছে না। বিদায়। হায়রে প্রান্ত পাগল হয়ে যাচ্ছে। হে আল্লাহ, তুমি একটা কিছু করো। আর কোনো জায়গায় দেরি না করে সোজা বাড়িতে হাজির। সরাসরি বিছানায় শুয়ে কাগজের টুকরা খুললো এবং দেখতে পেলো একটা চিঠি।