

যে বীথিকে সে কোনোদিন চিনে না, জানে না, সে যেন তার একান্ত আপনার মানুষ। আজ তিনটা দিন সে অজানা, অচেনা বিদেশ বিভূঁইয়ে বীথিই যেন তার সব, একমাত্র অবলম্বন। বীথির মুখের দিকে তাকাল, গৌধূলির রক্তাক্ত আবীর মেশানো আলো বীথির মুখের উপর পড়ে উজ্জ্বল গৌর বর্ণ মুখখানা যেন এক অপার্থিব মোহনীয় রূপে প্রতিভাত হয়েছে। নদীর দুইপাড়ে বিস্তীর্ণ চরাভূমি জুড়ে কত পাখ-পাখালি, অদূরে উদাস নিবিড় বন, তার পঞ্চাতে জৈন্তা পাহাড়ের মনোরম দৃশ্য, সূর্য অস্তাচলের অভিমুখে। ঠিক এই মুহূর্তে ছোটর পাশে বিথী। এ যেন বিধাতার বিধিমতে রচিত অন্তহীনকালের এক অনন্য মহাকাব্য।